সারাদেশে ২৯৯টি আসনে ৫৯ দশমিক ৪৪ শতাংশ ভোট পড়েছে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) ইসির পরিচালক (জনসংযোগ) তথ্য কর্মকর্তা মো. রুহুল আমিন মল্লিক এ তথ্য জানান।
বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে সাতটা থেকে সারা দেশে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। বিকাল সাড়ে চারটা পর্যন্ত স্বচ্ছ ব্যালট বাক্সে ব্যালট পেপারের মাধ্যমে ভোটগ্রহণ চলে। এবারের নির্বাচনে শেরপুর-৩ আসন বাদে ২৯৯টি সংসদীয় আসনে ভোট হয়। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীর মৃত্যুতে ওই আসনের নির্বাচন বাতিল করেছে নির্বাচন কমিশন।
এদিকে বেসরকারি ফলাফলে জানা গেছে, ২১৮ আসনে জয়ী হয়ে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে বিএনপি জোট। বিরোধী দল হিসেবে সংসদে থাকছে জামায়াতে ইসলামীজোট। তারা পেয়েছে ৭৩টি আসন। আর স্বতন্ত্র প্রার্থীরা পেয়েছেন আটটি আসন।
এবারের নির্বাচনে অংশ নেয় ৫১টি রাজনৈতিক দল। মোট প্রার্থী ২ হাজার ৩৪ জন; যার মধ্যে স্বতন্ত্র প্রার্থী ২৭৫ জন। রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি প্রার্থী দিয়েছে বিএনপি; যারা ধানের শীষ প্রতীকে লড়েন ২৯১ জন। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ২৫৮ জন প্রার্থী হাতপাখা প্রতীকে, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ২২৯ জন প্রার্থী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে এবং জাতীয় পার্টি ১৯৮ জন প্রার্থী লাঙল প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। জাতীয় নাগরিক পার্টির ৩২ জন প্রার্থী শাপলা কলি প্রতীকে নির্বাচন করেন।
ভোটার সংখ্যার দিক থেকেও এবারের নির্বাচন বড়। মোট ভোটার ১২ কোটি ৭৭ লাখ ১১ হাজার ৮৯৯ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৬ কোটি ৪৮ লাখ ২৫ হাজার ১৫৪ জন, নারী ভোটার ৬ কোটি ২৮ লাখ ৮৫ হাজার ৫২৫ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ১ হাজার ২২০ জন। সর্বনিম্ন ভোটার ঝালকাঠি-১ আসনে ২ লাখ ২৮ হাজার ৪৩১ জন এবং সর্বোচ্চ ভোটার গাজীপুর-২ আসনে ৮ লাখ ৪ হাজার ৩৩৩ জন।
