রাষ্ট্রপতি ও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য (চ্যান্সেলর) মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় দেশে বিদেশের কর্মসংস্থানের চাহিদা উপযোগি করে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কারিকুলাম প্রস্তুত করতে হবে, যাতে অযথা বেকার সৃষ্টি না হয়।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বঙ্গভবনে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য (ভিসি) অধ্যাপক ড. এ. এস. এম. আমানুল্লাহর নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এসব কথা বলেন।
সাক্ষাৎকালে উপাচার্য (ভিসি) জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মমুখী শিক্ষা, সিলেবাস পরিবর্তন ও সার্বিক একাডেমিক কার্যক্রম সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের মর্যাদা, পেশাগত সুযোগ-সুবিধা ও কল্যাণমূলক ব্যবস্থার উন্নয়নে সহযোগিতা কামনা করেন।

রাষ্ট্রপতি তাদের সহযোগিতার আশ্বাস দিয়ে বলেন, অতীতের ফ্যাসিবাদী শাসনামলে কৃত্রিমভাবে পাশের হার বৃদ্ধি করে দেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। বর্তমান সরকার জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার মানোন্নয়ন, দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা এবং শিক্ষকদের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে কাজ করছে।
এসময় রাষ্ট্রপতি উন্নত বিশ্বের শ্রমবাজারের চাহিদা বিবেচনায় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে প্রযুক্তি ও কারিগরি শিক্ষার পাশাপাশি স্বাস্থ্য সেবা, সহযোগী স্বাস্থ্য সেবা, কারিগরি ও উচ্চতর শিক্ষা এবং আইসিটি বিষয়ে ছয় মাস ও এক বছরের স্বল্পমেয়াদি দক্ষতা উন্নয়ন কোর্স চালুর আহ্বান জানান।
তিনি বলেন, এ ধরনের কর্মমুখী শিক্ষা কার্যক্রমের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন দক্ষ জনশক্তি তৈরি ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান বৃদ্ধি সম্ভব হবে। পাশাপাশি দেশের প্রতিটি জেলায় পর্যায়ক্রমে পারফর্মিং আর্টস কলেজ প্রতিষ্ঠার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য (ভিসি), প্রস্তাবিত জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন অনুষ্ঠানে আচার্য (চ্যান্সেলর) হিসেবে উপস্থিত থাকার জন্য রাষ্ট্রপতিকে আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানান। রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আমন্ত্রণ গ্রহণ করে সমাবর্তনে উপস্থিত থাকার বিষয়ে আশ্বস্ত করেন।
সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতির সংশ্লিষ্ট সচিবগণ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রে-ভিসি, রেজিস্টার, ট্রেজারার উপস্থিত ছিলেন।
কেনাকাটার আইন আধুনিকায়ন: মন্ত্রিসভায় নতুন অধ্যাদেশ অনুমোদন
২৬ সেপ্টেম্বর থেকে হামের টিকা, পাবে আরও ৩৪ লাখ শিশু