ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে ছয় প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। বিএনপি, জামায়াতে ইসলামীসহ পাঁচ রাজনৈতিক দলের এসব প্রার্থী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সকালে জেলা নির্বাচন কার্যালয়ে রিটার্নিং অফিসার ও জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. কামরুল ইসলাম যাচাই-বাছাই শেষে এসব মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেন।
এই আসনে ছয়জন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন। উপনির্বাচনে অংশ নিতে বিএনপির দুই প্রার্থী ছাড়া আরও চারজন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।
যেসব প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে- বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত প্রার্থী ও জেলা বিএনপির সভাপতি মির্জা ফয়সাল আমীন, জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ওবায়দুল্লাহ্ মাসুদ, ১১ দলীয় ঐক্য সমর্থিত বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী দেলাওয়ার হোসেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মো. খাদেমুল ইসলাম, বাংলাদেশ খেলাফল আন্দোলনের প্রার্থী মো. আব্দুল আলীম নিজামী ও বাংলাদেশ কংগ্রেসের প্রার্থী হুসাইন মুহাম্মদ ওমর ফারুক।
এর আগে গত ২৪ জুলাই সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন স্বাস্থ্যগত কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করেন। সংবিধানের বিধান অনুযায়ী, ওই দিনই জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
এরপর মির্জা ফখরুল ইসলাম গত ২০ আগস্ট জাতীয় সংসদ সদস্যদের প্রকাশ্য ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন। ২১ আগস্ট তিনি রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ঠাকুরগাঁও-১ আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন। রাষ্ট্রপতির শপথ গ্রহণের পর ২২ আগস্ট ঠাকুরগাঁও-১ আসনটি শূন্য ঘোষণা করা হয়।
১০ সেপ্টেম্বর নির্বাচন কমিশন ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে। তফসিল অনুযায়ী, ভোট গ্রহণ হবে আগামী ২৯ অক্টোবর।
২৭ সেপ্টেম্বর রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন ছিল। আজ মঙ্গলবার মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের দিন। আগামী ৭ অক্টোবর প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন। আর ৮ অক্টোবর প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে। এরপর প্রচারণা শুরু করতে পারবেন প্রার্থীরা; চলবে ২৭ অক্টোবর সকাল পর্যন্ত।
নাশকতাকারীদের বিরুদ্ধে রাস্তায় নয়, আইনি পথে ব্যবস্থা: গয়েশ্বর চন্দ্র রায়
৬৮ এসিল্যান্ডকে প্রত্যাহার করে বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ে ন্যস্ত