‘চিনি ও আটা দিয়ে তৈরি ভেজাল গুড়’ শিরোনামে গত ছয় সেপ্টেম্বর একাত্তর অনলাইনে প্রকাশিত সংবাদটি নজরে আসে শ্রীবরদী উপজেলার প্রশাসনের। পরে গত আট সেপ্টেম্বর ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে ওই কারখানা থেকে বিপুল পরিমাণ ভেজাল গুড় তৈরির উপাদান জব্দ করা হয়। কিন্তু সপ্তাহ ঘুরতেই দেখা গেলো সেই পুরনো চিত্র। আবারও ভেজাল গুড় তৈরিতে ব্যতিব্যস্ত দেখা গেলো কারখানাটি।
বৃহস্পতিবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সরেজমিনে অস্বাস্থ্যকর ও নোংরা পরিবেশে চিনি, ময়দা, লালি, রঙ ও বিভিন্ন রাসায়নিক উপকরণ মিশিয়ে কাঁচা স্যাঁতস্যাঁতে মেঝেতে আখের গুড় তৈরি করতে দেখা গেছে। তবে আখের গুড় তৈরির মূল উপাদান আখের রসের অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি। এছাড়া ড্রাম ও কন্টেইনারের ভেতরে দীর্ঘদিন ধরে রেখে দেওয়া লালি ব্যবহার করা হচ্ছে গুড় তৈরির ক্ষেত্রে, যা মানবদেহের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর।
আবারও কেন একই পন্থায় এই গুড় তৈরি করা হচ্ছে, এমন প্রশ্নের কারখানার মালিক আজিজুর রহমান আঙ্গুর বলেন, আমরা কিভাবে চলবো! চলাতো লাগবো! এজন্য আবার কারখানা চালু করেছি।

আরও পড়ুন: আসামি বহনকারী গাড়ির সিলিন্ডার বিস্ফোরণ, চার পুলিশ দগ্ধ
প্রসঙ্গত, গত আট সেপ্টেম্বর ভ্রাম্যমণ আদালতের ওই অভিযানে কারখানার মালিক ও কর্মচারীরা পালিয়ে গেলেও ভেজাল গুড় তৈরির নানা উপকরণ জব্দ ও গুড়গুলো কারখানার পাশের ডোবায় ফেলে ধ্বংস করা হয়। আর ১৫ বস্তা চিনি জব্দ করে স্থানীয় প্যানেল চেয়ারম্যানের জিম্মায় রাখা হয়।
একাত্তর/এসি
