ঢাকা ০৬ জুলাই ২০২২, ২২ আষাঢ় ১৪২৯

বিজয়ের পঞ্চাশ বছরে বদলে যাওয়া বাংলাদেশ

হৃদয় আলম
প্রকাশ: ১৫ ডিসেম্বর ২০২১ ২৩:৫১:৪৬ আপডেট: ১৬ ডিসেম্বর ২০২১ ১০:১৩:৪৭
বিজয়ের পঞ্চাশ বছরে বদলে যাওয়া বাংলাদেশ

বিজয়ের আগে থেকেই বাংলাদেশকে বলা হতো ‘তলাবিহীন ঝুড়ি’। ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর ওয়াশিংটনে দক্ষিণ এশিয়া পরিস্থিতি নিয়ে নিরাপত্তা উপদেষ্টা হেনরি কিসিঞ্জারের সভাপতিত্বে ওয়াশিংটন স্পেশাল অ্যাকশন গ্রুপের সভায় প্রথম শব্দটি ব্যবহার করেন কিসিঞ্জার। এরপর থেকে দীর্ঘ বছর পর্যন্ত প্রসঙ্গ এলেই বাংলাদেশকে বলা হতো ‘বাস্কেট কেস’। তবে, এখন সময় বদলেছে। বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণের জন্য জাতিসংঘের চূড়ান্ত সুপারিশ লাভ করেছে। অর্জন করেছে উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হওয়ার পূর্ণ যোগ্যতা।

দারিদ্র্য বিমোচন, শিক্ষার প্রসার, নারী উন্নয়ন, নারী শিক্ষা, শিশু ও মাতৃমৃত্যুর হার কমানোসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে এসেছে ঈর্ষণীয় সাফল্য। প্রতি ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে গেছে। ধান, ফল, মাছ উৎপাদনে এসেছে বিস্ময়করা সাফল্য। ডিজিটাল বাংলাদেশের স্বপ্ন এখন বাস্তব। বাংলাদেশ এখন দ্রুত উন্নয়নশীল প্রথম পাঁচটি দেশের মধ্যে একটি।

এই উত্তরণ এমন এক সময়ে ঘটল, যখন সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন করছে বাংলাদেশ। নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ভারতীয় অর্থনীতিবিদ অর্মত্য সেন তার ‘ভারত: উন্নয়ন ও বঞ্চনা’ গ্রন্থে লিখেছেন, যে বাংলাদেশের উন্নয়নের কথা কেউ ভাবেইনি, সে দেশটি সামাজিক উন্নয়নের পথে দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে। অনেকে বলেছিলেন, ভবিষ্যৎ অন্ধকার। কিন্তু বাস্তবতা হলো, অনেক সামাজিক সূচক, যেমন: গড় আয়ু, শিশুমৃত্যুর হার, টিকা দেওয়ার মাত্রা, সনাতন প্রজননের হার এবং এমনকি স্কুলশিক্ষার কিছু মাপকাঠিতে বাংলাদেশ ভারতকে ছাড়িয়ে গেছে।

স্বাধীনতার সময়ে বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার দরিদ্র দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম ছিল। ভারতের চেয়েও দরিদ্র ছিল এবং আরো বেশি দরিদ্র ছিল পাকিস্তানের চেয়ে। বর্তমানে দেশে মাথাপিছু আয় দুই হাজার ২২৭ ডলার। অর্থাৎ মানদণ্ডের চেয়ে প্রায় এক দশমিক সাত গুণ। মানবসম্পদ সূচকে নির্ধারিত মানদণ্ড ৬৬-এর বিপরীতে বাংলাদেশের অর্জন ৭৫.৪।

২০০৬ সালে বাংলাদেশ যখন জিডিপি প্রবৃদ্ধি হারে পাকিস্তানকে ছাড়িয়ে গিয়েছিল, তখন অনেকেই এটিকে একটি আকস্মিক সাফল্য বলে ব্যাখ্যা দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন কিন্তু তখন থেকে প্রতি বছরই পাকিস্তানকে ছাড়িয়ে গেছে বাংলাদেশ।

বাংলাদেশ এখন এশীয় ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে ১৩তম বৃহৎ অর্থনীতির দেশ। মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) আকারে গত দুই যুগে সিঙ্গাপুর ও হংকংকে ছাড়িয়ে আজকের অবস্থানে উঠেছে বাংলাদেশ। বিশ্বব্যাপী মহামারির কারণে যেখানে দেশে দেশে প্রবৃদ্ধির গতি ব্যাহত হয়েছে, সেখানে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি ৫ শতাংশের ওপরে রয়েছে।

অর্থনৈতিক উন্নয়নের পাশাপাশি সামাজিক বিভিন্ন ক্ষেত্রেও এগিয়েছে বাংলাদেশ। সুখী দেশের তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান এখন ১০১ নম্বরে। এর আগের জরিপে ১৫৩টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ১০৭তম। শিশুদের বুকের দুধ পান করানোয় মায়েদের সহায়তা করার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ বিশ্বের প্রথম।

পোশাক রপ্তানিতে বাংলাদেশের অবস্থান বিশ্বে দ্বিতীয়, মিঠাপানির মাছ উৎপাদনে তৃতীয়, সবজি উৎপাদনে তৃতীয়, চাল উৎপাদনে চতুর্থ, আলু উৎপাদনে সপ্তম, আম উৎপাদনে নবম, খাদ্যশস্য উৎপাদনে দশম।

সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতিতে সরকার অটল রয়েছে। সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ দমনে সরকারের কর্মকাণ্ডের ভূয়সী প্রশংসা করেছে আন্তর্জাতিক বিশ্ব। সরকার কর্তৃক গঠিত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে যুদ্ধাপরাধীর বিচার সম্পন্ন হয়েছে। সব সম্প্রদায়ের ধর্মীয় স্বাধীনতা নিশ্চিত করা হয়েছে।

বিগত কয়েক বছরে জনগণের গড় আয়ু বৃদ্ধি পেয়েছে উল্লেখযোগ্যহারে। ১৯৭২ সালে স্বাধীনতা অর্জনের পরপর বাংলাদেশের মানুষের গড় আয়ু ছিল ৪৬.৫১ বছর। গত ৫০ বছরে ধাপে ধাপে মানুষের গড় আয়ু বেড়ে বর্তমানে তা ৭২.৬ বছরে পৌঁছেছে। গড় আয়ুর পাশাপাশি মৃত্যুহার কমেছে, শিশুমৃত্যু হার কমেছে, জন্মহারও কমেছে। ১৯৭২ সালে প্রতি হাজারে শিশুমৃত্যু হার ছিল ১৪১ জন। ২০২০ সালে এ হার কমে দাঁড়িয়েছে ২১ জনে। প্রতি হাজারে ১৯৭২ সালে জন্মহার ছিল ৫০ জন। ২০২০ সালে প্রতি হাজারে জন্মহার ১৮ দশমিক ১। মৃত্যুহার প্রতি হাজারে ছিল ২০ জন। ২০২০ সালে তা কমে দাঁড়িয়েছে ৪ দশমিক ৯ জনে। ১৯৭২ সালে দেশে মোট জনসংখ্যা ছিল ৭ দশমিক ৫ কোটি। বর্তমানে দেশের মোট জনসংখ্যা ২০২০ সালের হিসেবে ১৬.৬৫ কোটি। মোট জনসংখ্যার আকার বাড়লেও কমেছে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার। ৭২ সালে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ছিল ২ দশমিক ৭ শতাংশ থেকে ৩ শতাংশ। ২০২০ সালে এ হার কমে দাঁড়িয়েছে ১ দশমিক ৩৭ শতাংশে।

জাতীয় গ্রিড এবং দুর্গম ও প্রত্যন্ত এলাকায় সোলার প্যানেলের মাধ্যমে বাংলাদেশের ৯৯ দশমিক ৭৫ শতাংশ মানুষ বিদ্যুৎ সুবিধার আওতায় এসেছে। বর্তমানে দেশের ক্যাপটিভ ও নবায়নযোগ্য জ্বালানিসহ বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা ২৫ হাজার ২৩৫ মেগাওয়াট। ২০০৯ সালে দেশে বিদ্যুতের গ্রাহক সংখ্যা ছিল ১ কোটি ৮ লাখ। বর্তমানে এ সংখ্যা বেড়ে ৪ কোটি ১৪ লাখে উন্নীত হয়েছে।

গত ৫০ বছরে বাংলাদেশে বেসরকারি ব্যাংকের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪৪টিতে, যেখানে পাকিস্তানের বেসরকারি ব্যাংক ২২টি। দেশে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৪২ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে। মানুষের মাথাপিছু আয়ের পরিমাণ ২ হাজার ২২৭ মার্কিন ডলার। ২০২০-২১ অর্থবছরে সাময়িক হিসাবে জিডিপি বেড়েছে ৫ দশমিক ৪৭ শতাংশ যা বাজেটে ধরা হয় ৬ দশমিক ১০ শতাংশ।

‘বাংলাদেশ বদ্বীপ পরিকল্পনা-২১০০’ নামের শতবর্ষের একটি পরিকল্পনা গৃহীত হয়েছে। রূপকল্প-২০২১ এবং ২০৪১ বাস্তবায়নের পথে বাংলাদেশ দুর্বার গতিতে এগিয়ে চলছে। ১১১টি ছিটমহলের ১৭ হাজার ৮৫১ একর জায়গা বাংলাদেশের সীমানায় যুক্ত হয়েছে। সমুদ্রসীমায় বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে ব্লু -ইকোনমির সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হয়েছে। প্রায় ১ লাখ ৩১ হাজার ৯৮ বর্গকিলোমিটার সমুদ্র এলাকা বাংলাদেশের সীমানায় যুক্ত হয়েছে। ভারতের সঙ্গে ৬৮ বছরের অমীমাংসিত স্থল সীমান্ত চুক্তিও বাস্তবায়িত হয়েছে। ‘অভিশাপ’ থেকে মুক্তি পেয়েছেন ছিটমহলের মানুষ।

বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ উৎক্ষেপণের মাধ্যমে মহাকাশ বিজ্ঞানের যুগে প্রবেশ করেছে বাংলাদেশ। ২০১৮ সালের ১২ মে উৎক্ষেপণ করা হয় বাংলাদেশের প্রথম স্যাটেলাইট ‘বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১’। এর মধ্য দিয়ে ৫৭তম দেশ হিসেবে নিজস্ব স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণকারী দেশের তালিকায় যোগ হয় বাংলাদেশের নাম।

শত ষড়যন্ত্র সত্ত্বেও নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতুর অধিকাংশ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। ৯৫ ভাগ কাজ শেষ, বাকি আছে আর মাত্র ৫ শতাংশ। ২০২২ সালের জুনে সেতুতে যান চলাচলের লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে চলছে নির্মাণ কাজ।

পাবনার রূপপুরে ২ হাজার ৪০০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ কাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে। পায়রা, রামপাল, মাতারবাড়ী ও মহেশখালীতে কয়লা ভিত্তিক ১০ হাজার মেগাওয়াট ক্ষমতার আটটি মেগা প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়িত হচ্ছে। চার লেন, ছয় লেন ও আট লেন জাতীয় মহাসড়ক, উড়াল সেতু, মেট্রোরেল, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে, মেরিন ড্রাইভ, বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সেতু, বঙ্গবন্ধু টানেল নির্মাণের মাধ্যমে যুগান্তকারী উন্নয়ন সাধিত হচ্ছে।

এছাড়া ঢাকা-খুলনা, ঢাকা-রাজশাহী, ঢাকা-চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে বিদ্যুৎ-চালিত বুলেট ট্রেন স্থাপন করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। চট্টগ্রাম বন্দরকে আধুনিকায়ন করা হয়েছে। পটুয়াখালীতে পায়রা সমুদ্রবন্দরের কার্যক্রম শুরু হওয়ায় অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বৃদ্ধি পেয়েছে।

২০০৮ সালে ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ গড়ার যে লক্ষ্য নেওয়া হয়েছিলো তা এখন অনেকটাই সফল। বর্তমানে দেশে হাইটেক পার্ক রয়েছে ৩৯টি। ১৯৯৯ সালে মন্ত্রীসভায় প্রথম গাজীপুরের কালিয়াকৈরে হাই-টেক পার্ক নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সরকারের বিভিন্ন নীতি সহায়তার ফলে বর্তমানে দেশের বিভিন্নস্থানে স্যামসাং, ওয়ালটন, সিম্ফনি, মাই ফোন, শাওমিসহ দেশি-বিদেশি ১৪টি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশে মোবাইল ফোন ও ল্যাপটপ উৎপাদন করছে এবং পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে রপ্তানি হচ্ছে এবং দেশের মোবাইল ফোন চাহিদার ৭০ শতাংশ পূরণ করছে। ডিজিটাল ডিভাইস উৎপাদনে রপ্তানিকারক দেশ হিসেবে পরিচিত হয়েছে বাংলাদেশ।

বর্তমানে সারাদেশে ৮ হাজার ২৮০টি ডিজিটাল সেন্টারের মাধ্যমে ৩০০-এর অধিক ধরনের সরকারী- বেসরকারী সেবা জনগণ গ্রহণ করতে পারছেন। দেশে বর্তমানে মুঠোফোন সংযোগের সংখ্যা ১৮ কোটির বেশি। ইন্টারনেট ব্যবহারকারী বর্তমানে প্রায় ১৩ কোটি। রাষ্ট্রায়ত্ত মোবাইল অপারেটর টেলিটক দেশের ছয়টি এলাকায় পরীক্ষামূলকভাবে ফাইভ-জি সেবা চালু করেছে। ২০২২ সালের মধ্যে অন্তত ২০০টি টাওয়ার বা বিটিএসে (বেইস ট্রান্সসিভার স্টেশন) ফাইভ-জি চালু করা হবে।

ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নে নানা উদ্যোগ ও কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন করার স্বীকৃতিস্বরূপ বাংলাদেশের ঝুলিতে এসেছে জাতিসংঘের সাউথ-সাউথ কো-অপারেশন অ্যান্ড ভিশনারি অ্যাওয়ার্ড, আইসিটি সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট অ্যাওয়ার্ড, ওয়ার্ল্ড সামিট অন দ্য ইনফরমেশন সোসাইটি (ডাব্লিউএসআইএস) উইটসা, এসোসিও অ্যাওয়ার্ডসহ অসংখ্য আন্তর্জাতিক পুরস্কার।

বিজয়ের ৫০ বছরে বাংলাদেশের সংস্কৃতি বিশ্বের বুকে উড়িয়েছে এক নতুন কেতন। বিশ্ব বিনোদনের দরবার কান চলচ্চিত্র উৎসবে অফিশিয়াল সিলেকশনে এসেছে ‘রেহানা মরিয়ম নূরের’ নাম। এছাড়া বাংলাদেশের তরুণ চলচ্চিত্রকার রেজওয়ান শাহরিয়ারের পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘নোনা জলের কাব্য’ গ্ল্যাসগোর জলবায়ু সম্মেলনের ভেন্যুতে প্রদর্শিত হয়েছে। কপ-২৬ এর জন্য তৈরি গ্রিন জোনে ছবিটি দেখানো হয়।

অন্যদিকে ক্রিকেট দিয়ে বিশ্বে নিজেদের অবস্থানেরও জানান দিয়েছে বাংলাদেশ। একদিনের ক্রিকেটে বিশ্বের সেরা অলরাউন্ডার এখন বাংলাদেশের সাকিব আল হাসান। আর বাংলাদেশের ঝুলিতে চ্যাম্পিয়নের ট্রফিও নেহাত কম নয়, হারিয়েছে বিশ্বের রথি-মহারথিদের। আর এই ক্রিকেটের হাত ধরেই এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশ অর্জন করেছে স্বর্ণপদক।

যুগ যুগ ধরে ফুটবলের স্পন্দনে উদ্বেলিত এ দেশের মানুষ। সেই ব্রিটিশ আমল থেকে ফুটবলকে ঘিরে এই ভূখণ্ডে বইছে আবেগের ঢেউ। বর্তমানে ফুটবলে বেশ খানিক উন্নতি করেছে বাংলাদেশ। দলটির অবস্থান বর্তমান বিশ্বে ১৮৭ তে।

আরও পড়ুন: অপারেশন জ্যাকপটের গল্প শোনালেন দুই কমান্ডো

আর্চারিতেও সাফল্য পেয়েছে বাংলাদেশ। বর্তমানে দেশের মানুষ অলিম্পিক গেমসে পদক জয়ের স্বপ্ন দেখে। এছাড়া হকি, ভলিবলসহ অন্যান্য ক্ষেত্রে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ।

২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে গ্রহণ করা হয়েছে দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন পরিকল্পনা ‘রূপকল্প ২০৪১’। যেখানে মাথাপিছু আয় হবে ১২,৫০০ ডলারের বেশি। বাংলাদেশ হবে সোনার বাংলা, যেখানে দারিদ্র্য হবে সুদূর অতীতের ঘটনা। অভীষ্ট অর্জনের পথে আগামী দু’দশকে পরিবর্তন আসবে কৃষি, শিল্প ও বাণিজ্য, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য, পরিবহণ ও যোগাযোগ, ব্যবসার ধরণ এবং কর্ম সম্পাদন পদ্ধতিতে।


একাত্তর/আরএ

মন্তব্য

এই নিবন্ধটি জন্য কোন মন্তব্য নেই.

আপনার মন্তব্য লিখুন

বাতাস যখন ভয়ঙ্কর-২

বাতাস যখন ভয়ঙ্কর-২

৪ দিন ১৬ ঘন্টা আগে