প্রশাসনের নজরদারির পরেও বাজারদর স্বাভাবিক হচ্ছে না। ভ্যাট কমানোর পরও মানুষ বাড়তি দামে কিনছে ভোজ্যতেল। বাড়তি অন্যান্য নিত্যপণ্যের দামও।
তাই আসন্ন রমজানে জিনিসপত্রের দাম নিয়ে শঙ্কার মধ্যে আছেন ক্রেতারা। তারা মনে করছেন, সামনের দিনগুলোতে আরও অস্থির হয়ে উঠতে পারে বাজার।
ক্রেতারা জানান, পণ্যের দামের লাগামহীন ঊর্ধ্বগতিতে ভোগান্তির শিকার হচ্ছে ভোক্তারা। ক্রয় ক্ষমতা হারাচ্ছেন তারা। আয়ের তুলনায় ব্যয়ের পরিমাণ বাড়ায় তৈরি হয়েছে বাজার ভীতি।
নিত্যপন্যের উর্ধ্বগতি ঠেকাতে ময়মনসিংহের বাজারগুলোতে অভিযান চালাচ্ছে স্থানীয় প্রশাসন। প্রশাসনের কর্তারা বলছেন, নিত্যপন্যের কোন ঘাটতি নেই।
কিন্তু সাধারণ ক্রেতারা বলছেন, অন্য কথা। বাজারে গেলে পণ্যের কোন অভাব দেখা যায় না। তারপরেও প্রতিদিন কি কারণে দাম বাড়ে, সেই প্রশ্নের উত্তরও পাওয়া যায় না।
ভোজ্যতেলের ভ্যাট ও শুল্ক কমানোর প্রভাব এখনও বন্দরনগরী চট্টগ্রামের পাইকারি বা খুচরো বাজারে পড়েনি। বাড়তি দামেই বিক্রি হচ্ছে সয়াবিন তেল।
এছাড়া সেখানে হঠাৎ করে বেড়েছে রসুন ও আদার দামও। রসুন কেজি প্রতি ৩০ টাকা বেড়ে খুচরা বিক্রি হচ্ছে ১৩৬ টাকায় আর আদার দাম বেড়েছে কেজি প্রতি ১৫ টাকা।
তবে, ভিন্ন চিত্র বরিশালের বাজারে। টানা দশ দিন তেলের সংকট থাকলেও বৃহস্পতিবার থেকে তেলের দাম লিটারে ১০টাকা কমেছে।
রাজশাহীতে বাজারেও কমেছে পেয়াজের দাম। সপ্তাহ ব্যবধানে দেশি পেয়াজ পাঁচ টাকা কমে কেজিপ্রতি বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকায়।
নরসিংদীতে এখনও প্রতি লিটার তেল ১৮৫ থেকে ১৯০ টাকা এবং ৫ লিটার সয়াবিন কন্টেনার বিক্রি হচ্ছে ৮৫০ টাকায় ।
মুন্সীগঞ্জে বোতলের গায়ে প্রকার ভেদে লিটার প্রতি ১৫৫ থেকে ১৬০ টাকা লেখা থাকলেও, ডিলারদের থেকে দোকানিদের কিনতে হচ্ছে ১৭০ টাকায়, যা বিক্রি হচ্ছে ১৮০ টাকায়।
একাত্তর/ এনএ
