বাজেটে মুল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রাখাকেই বড় চ্যালেঞ্জ বলে মনে করছেন
অর্থনীতিবিদরা। পণ্যের চড়া দাম থেকে ক্রেতাকে স্বস্তি দিতে বাজারে পণ্যের সরবরাহ বাড়ানো,
নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য রেশন কার্ড পদ্ধতি চালুসহ সামাজিক নিরাপত্তা বলয় বাড়ানোর পরামর্শ
দিয়েছেন তারা।
অর্থনীতিবিদরা বলছেন, এতে করে সরকারের খরচ বাড়লেও, রাজস্ব আদায়ে অমনোযোগী খাতগুলোর মাধ্যমে সেই খরচ তোলাও সম্ভব।
দেশের দারিদ্র্য পরিস্থিতি মূল্যায়ন করে আড়াই বছর আগে এক প্রতিবেদনে বিশ্বব্যাংক বলেছে মোট জনগোষ্ঠীর ৫৪ শতাংশ সব সময়ই আবারও গরিব হওয়ার ঝুঁকিতে থাকে।
সেই হিসাবে এই জনসংখ্যা এখন আট কোটিরও বেশি। তারওপর নিত্য প্রয়োজনীয় প্রতিটি পণ্য কিনতে এখন গুনতে হচ্ছে প্রতি একশো টাকার বিপরীতে বাড়তি প্রায় সাড়ে ছয় টাকা।
শনিবার বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউট ও একাত্তর টেলিভিশনের যৌথ আয়োজনে শেষ মুহুর্তের বাজেট ভাবনা শীর্ষক এক গোলটেবিল বৈঠকে বক্তারা জানান, করোনা পরবর্তী অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে বাজেটে গুরুত্ব দিতে হবে মানুষের জীবন জীবিকায়।
আলোচকরা বলেন, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি আমদানি খরচ কমাতে ডলারের দাম স্থিতিশীল রাখার কৌশল খুজতে হবে বাংলাদেশ ব্যাংককে।
আসছে বাজেটে গরিব মানুষকে সুরক্ষা দিতে সামাজিক নিরাপত্তার আওতা বাড়ানো এবং সেই অর্থ কোথা থেকে আসবে সে বিষয়েও আলোচনা ছিলো জোরেসোরে।
