বাড়তি দাম দিয়েও চাহিদা অনুযায়ী গ্যাস-বিদ্যুৎ দিতে না পাওয়ার অভিযোগ করেছে, বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশন (বিটিএমএ)। সংগঠনটি বলছে, তুলার পর গ্যাস ও বিদ্যুৎ সঙ্কটে গেলো ১৫ মাসে দেশের স্পিনিং মিলগুলো ৪৫ হাজার কোটি টাকা লোকসান গুনেছে। এই সুযোগে ভারত-পাকিস্তান থেকে অবৈধভাবে সুতা ও কাপড়ও আমদানি হচ্ছে।
২০০৯ থেকে চলতি বছরের জানুয়ারি পর্যন্ত দেশে গ্যাসে ট্যারিফ বেড়েছে ৬১৭ শতাংশের মতো। এবছরের হিসেবে দাম বেড়েছে ৮৬ শতাংশ। দাম বাড়ানোর সময় সরকারের প্রতিশ্রুতি ছিল কারখানায় নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ দেয়া হবে। কিন্তু এখন আর সেটা হচ্ছেনা।
মঙ্গলবার টেক্সটাইল খাতের উদ্যোক্তারা সম্মেলনে জানালেন, গ্যাস ও বিদ্যুতের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ সংকটসহ অস্বাভাবিক হারে ট্যারিফের কারণে ব্যবসায় অচল অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে।
বিটিএমইএ’র প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ আলী খোকন জানান, আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ গত ১৫ মাসে ৪৫ হাজার কোটি টাকারও বেশি।
স্পিনিং মিলগুলোতে উৎপাদন সক্ষমতা ৫০ শতাংশ কমলেও সুতার উৎপাদন খরচ বেড়েছে কেজিতে ৪০ টাকা পর্যন্ত। আবার মড়ার ওপর খাড়ার ঘা হয়ে দাঁড়িয়েছে, পার্শ্ববর্তী দেশগুলো থেকে অবাধে সুতা ও কাপড় আমদানি।
বস্ত্র ও সুতা খাতের মালিকদের এ সংগঠনের মতে, তারা এক লাখ ২০ হাজার কোটি টাকার মতো ঋণের দায় নিয়ে স্মরণকালের ভয়াবহ সময় অতিবাহিত করছে। এ অবস্থায়, খেলাপি থেকে বাঁচতে ঋণের কিস্তি ও সুদ প্রদানে বিশেষ সুবিধার চান তারা।
আরও পড়ুন: থিংকট্যাংকের সমালোচনার ক্ষেত্রে সরকারকে উদার হতে হবে: ড. মোস্তাফিজ
কেবল তাই নয়, ইডিএফ সুবিধা অব্যাহত রাখাসহ কাঁচামাল আমদানির জন্য বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে এলসি খোলা অব্যাহত রাখতে, বাংলাদেশ ব্যাংকের সদয় দৃষ্টি চান তারা।
একাত্তর/আরএ
