সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগির দাম বেড়েছে ১৫ থেকে ২০ টাকা। সরবরাহ ঘাটতির অভিযোগে বেড়েছে সোনালীসহ অন্যন্যা মুরগির দাম। দাম বৃদ্ধির দৌড়ে এগিয়ে মুরগির সাদা ডিম। ১০ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ১৪০ টাকা ডজন।
খাসি ও গরুর মাংস আগের মতোই চড়া দামে স্থিতিশীল। ইলিশের দাম এখনও সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে।
সাধারণ মানুষের মাংসের চাহিদার বড় অংশই জোগান দেয় পোল্ট্রি বা ব্রয়লার মুরগি। এতদিন খানিকটা সস্তা থাকলেও জনগণের প্রোটিনের যোগানদাতা ব্রয়লার মুরগির দাম বেড়ে হয়েছে ১৮৫ থেকে ১৯০ টাকা কেজি।
ব্রয়লারের দাম বৃদ্ধির সাথে সাথে বেড়েছে সোনালীসহ অন্যান্য মুরগির দামও। আর মুরগির দাম বৃদ্ধির কারণে বেড়েছে মুরগির ডিমের।
খাসির মাংস বিক্রি হচ্ছে ১১০০ টাকা কেজি। আর গরুর মাংস ৭৩০ থেকে ৭৫০ টাকায়। দুই ধরনের মাংসই চড়া দামে স্থিতিশীল আছে বলে জানান বিক্রেতারা।
খানিকটা দাম কমেছে ইলিশের, তারপরও সাধারণ মানুষ ইলিশের কাছেও ভিড়তে পারবে না। কারণ ছোট ইলিশ ৭০০ টাকা আর বড় ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ১৫০০ টাকা কেজি। রুই কাতলা বিক্রি হচ্ছে ৩৫০ থেকে ৪৫০ টাকা কেজিতে।
আরও পড়ুন: রেকর্ড উষ্ণতায় পৌঁছেছে সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা
তবে তেল-নুন-ডালসহ মুদি পণ্যের দাম আগের মতোই চড়া দামে স্থিতিশীল আছে বলে জানান দোকানিরা।
একাত্তর/আরএ
