করোনা সংক্রমণ রোধে দেশজুড়ে চলা কঠোর বিধিনিষেধে সব হোটেল-রেস্তোরাঁয় প্রায় বন্ধ। তাই সেসব থেকে কর আদায় কমেছে।
আর এই খাতের ব্যবসায়ীরা বলছেন, করানোর ছোবলে ব্যবসা ৯০ শতাংশই নাই হয়ে গেছে। অনলাইনে আর পার্সেলে টুকটাক খাবার বিক্রি চলছে ব্যবসা।
রাজধানীর বিভিন্ন ব্যবসার মধ্যে বড় একটি উপখাত রেস্তোরাঁ ব্যবসা। করোনাকালে লকডাউন আর কঠোর বিধিনিষেধে কবলে এই ব্যবসা অবস্থা খুবই করুণ।
এবার সরকারে কঠোর বিধিনিষেধ নামে লকডাউনেও শুধু অনলাইন ও পার্সেল বা টেকওয়ে খাবার বিক্রির জন্য খোলা আছে রেস্তোরাঁগুলো।
রাজধানীর রামপুরা বাজারের এমন একটি রেস্তোরাঁয় গিয়ে দেখা গেলো, অনলাইনেও তেমন অর্ডার নেই। তাই কর্মচারীরা অলস সময় পার করছেন।
দারুণ কষ্টের সময় পার করছেন জানিয়ে তারা বলেন, একে তো ক্রেতা কম, অন্যদিকে টিপস থেকে বাড়তি আয়ও কমে গেছে। আগেই কমেছে বেতন।
রেস্তোরাঁ ব্যবসা প্রায় বন্ধ থাকায় এই উপখাতে ভ্যাট আদায় কমে যাওয়ায় খোদ জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান আবু হেনা মোহাম্মদ রাহমাতুল মুনিমও উদ্বেগে প্রকাশ করেছেন।
আর, মালিকরা বলছেন গত দুই বছর ধরেই বেশিরভাগ সময় বন্ধ থেকেছে হোটেল ও রেস্তোরাঁ। এ সময় বিক্রি কমতে কমতে ৯০ শতাংশে পৌঁছেছে। বিক্রি না হলে ভ্যাটেরও প্রশ্ন নেই।
বাংলাদেশ রেস্তোরাঁ মালিক সমিতি বলছে, তাদের ব্যবসার সাথে অনেকগুলো খাতই জড়িত। সুতরাং কঠোর বিধিনিষেধে শুধু তাদের বিক্রি নয়, সংশ্লিষ্ট সব ব্যবসাই কমেছে সেখানেও সরকারের রাজস্ব আদয় কমেছে।
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর সবশেষ হিসেবে, দেশে ছোট এবং বড় মিলিয়ে হোটেল রেস্তোরাঁ আছে চার লাখ ৭৬ হাজার ২৬৮।
এর মধ্যে, রাজধানী ও এর আশেপাশেই লাখ খানেক আছে ছোট বড় রেস্তোরাঁ রয়েছে বলে জানিয়েছে রোস্তারাঁ মালিক সমিতি।
একাত্তর/এআর
