দেশের পুঁজিবাজারে ৩২টি ব্যাংক তালিকাভুক্ত থাকলেও, বিনিয়োগ রয়েছে ২৩টির। পুঁজিবাজারে অনুমোদিত বিনিয়োগ সীমার ৬০ শতাংশ বিনিয়োগ হয়েছে।
এখনও সমন্বিতভাবে আরো ২৪ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ করতে পারবে তারা। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বাজার থেকে ব্যাংকগুলো অর্থ উত্তোলনসহ নানা সুবিধা নেয়। তাই ঝুঁকি বিবেচনায় রেখে দক্ষভাবে বাজারে বিনিয়োগ করতে পারে তারা।
দেশের শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত আছে ৩২টি ব্যাংক। ব্যাংক কোম্পানি আইন বলছে, পুঁজিবাজারে ব্যাংক ও তার সহযোগী কোম্পানির মূলধন, শেয়ার প্রিমিয়াম স্থিতি, বিধিবদ্ধ সঞ্চিতি ও রিটেইন্ড আর্নিংসের ৫০ শতাংশ বিনিয়োগ করতে পারবে। ব্যাংকগুলোর নিজস্ব বিনিয়োগ হবে ২৫ শতাংশ।
সম্প্রতি দেশের শেয়ারবাজারে ব্যাংকগুলো অতিমাত্রায় বিনিয়োগ করছে বলে গুজব উঠে। বাংলাদেশ ব্যাংক যখন জানে যে করোনার প্রভাব মোকাবিলায় সরকারি প্রণোদনাও বাজারে বিনিয়োগ হচ্ছে তখন ব্যাংকগুলোকে সতর্ক করে। বিনিয়োগের প্রতিদিনের তথ্য দেয়ারও নির্দেশ দেয়।
তবে তথ্য বলছে আগস্ট শেষে ২৩টি ব্যাংক বিনিয়োগ সীমার ৬০ শতাংশ শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করেছে। বেশি বিনিয়োগ করেছে আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক, সিটি ব্যাংক ও ট্রাস্ট ব্যাংক। কম করেছে এবি ব্যাংক। তবে এখনো ব্যাংকগুলো মিলে আরও ২৪ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ করতে পারে।
এদিকে ব্যাংক খাতের পারফরম্যান্স নিয়ে সন্তুষ্ট নন বিএসইসির সাবেক চেয়ারম্যান ফারুক আহমেদ সিদ্দিক। তিনি চান নিরাপত্তা সঞ্চিতি বা প্রভিশনম খেলাপি ঋণের বোঝা বিবেচনায় নিয়ে ব্যাংকগুলো শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করুক।
তবে সাবেক ব্যাংকার সৈয়দ আবু নাসের বখতিয়ার বলছেন, ব্যাংকগুলোর বিনিয়োগে দক্ষতা আর কঠোর পর্যবেক্ষণ জরুরি।
বর্তমানে শেয়ারবাজারে ২৩টি ব্যাংকের ৪৭ হাজার ৬৪৬ কোটি ৩০ লাখ টাকার মূলধন রয়েছে। এরমধ্যে শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ হয়েছে ১৪ হাজার ৩৬৪ কোটি টাকা।
একাত্তর/এআর
