তেল-চিনির মতো নিত্যপণ্যের আকাশ ছোঁয়া দাম। এমন ধরনের কমবেশি সব নিত্যপণ্যের দাম সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে। তাই ভিড় বাড়ছে টিসিবির পণ্য বিক্রির ট্রাকে।
তবে, চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকায়, ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়েও টিসিবির পণ্য কিনতে পারছেন না বেশিরভাগ মানুষ।
তাই টিসিবির ট্রাকের সংখ্যা ও পণ্যের পরিমাণ বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন ক্রেতারা।
করোনা মহামারিতে কাজ হারিয়ে কিংবা আয় কমে যাওয়ায় অনেক মধ্যবিত্তই নিম্নবিত্তে নেমেছে। তাই তো দিন দিন দীর্ঘ হচ্ছে টিসিবি পণ্য কিনতে আসা মানুষের লাইন।
৪ সেপ্টেম্বর থেকে রাজধানীতে আবারও ট্রাকে পণ্য বিক্রি শুরু করেছে টিসিবি। এই বিক্রি কার্যক্রম আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলবে।
নির্ধারিত স্থানে টিসিবির পণ্যবাহী ট্রাক পৌঁছানোর আগেই অপেক্ষা করতে থাকেন অনেক নগরবাসী। এ সময় এসব লাইনে দরিদ্র মানুষ দাঁড়ালেও এখন ভিড় করছেন মধ্যবিত্তরাও।
আরও পড়ুন: ফু-ওয়াং বারের ৪১ কোটি টাকা ভ্যাট ফাঁকি উন্মোচন
টিসিবির প্রতি ট্রাকে বরাদ্দ ৬০০ লিটার সয়াবিন তেল, ৫০০ কেজি চিনি ও ৪০০ কেজি মসুর ডাল। ফলে, ১০০ টাকা লিটারে জনপ্রতি দুই লিটার সয়াবিন তেল এবং ৫৫ টাকা কেজিতে দুই কেজি করে মসুর ডাল ও চিনি মিলছে।
তবে তেল, চিনি ও মসুর ডাল কিনতে পারছেন মাত্র ২০০ জন। বাকিদের ঘণ্টার পর ঘণ্টা রোদে পুড়ে লম্বা লাইনে দীর্ঘ অপেক্ষা করেও খালি হাতে ফিরতে হচ্ছে। ঘটছে হাতাহাতির ঘটনাও।
তাই, পণ্যের পরিমাণ ও ট্রাকের সংখ্যা বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন, নিম্ন আয়ের এসব মানুষ।
টিসিবির ট্রাক থেকে একসাথে তেল, চিনি ও মসুর ডাল কিনতে পারছেন মাত্র ১৪ হাজার ২০০ জন। সব মিলিয়ে প্রতিদিন টিসিবির পণ্য কেনার সুযোগ পাচ্ছেন ২১ হাজার ২০০ জন। যা মোট জনসংখ্যার মাত্র শূণ্য দশমিক শূণ্য এক ভাগ।
একাত্তর/আরএইচ
