তেজগাঁও শিল্পাঞ্চলে প্রাইভেটকারে এলোপাতাড়ি গুলির ঘটনায় মারুফ বিল্লাহ হিমেল নামের একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার পুরান ঢাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাজহারুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
ওসি জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনাস্থলে উপস্থিত থাকার কথা স্বীকার করেছেন গ্রেপ্তার মারুফ বিল্লাহ। তাকে মঙ্গলবার আদালতে হাজির করে ১০ দিনের রিমান্ড চাওয়া হবে।
ঘটনার পর থেকেই পুলিশ বলছে, তাদের ধারণা, শীর্ষ সন্ত্রাসী তারিক সাঈদ মামুনকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি ছুড়েছিলো কারাবন্দি শীর্ষ সন্ত্রাসী সানজিদুল ইসলাম ওরফে ইমনের লোকজন।
এ ঘটনায় গুলিবিদ্ধ মোটরসাইকেল আরোহী অ্যাডভোকেট ভুবন চন্দ্র শীল সোমবার সকালে রাজধানীর একটি হাসপাতালে মারা যান।
শীর্ষ সন্ত্রাসীর তালিকাভুক্ত মামুন ও ইমন দুইজনই চিত্রনায়ক সোহেল চৌধুরী হত্যা মামলার আসামি। ২০ বছরেরও বেশি সময় কারাবন্দি থাকার পর কয়েকদিন আগে ছাড়া পেয়েছে মামুন। ইমন এখনও কারাগারে।
গত সোমবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ৯টার দিকে গোলাগুলি ঘটনা ঘটে। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, তেজগাঁও শিল্পাঞ্চলের বিজি প্রেস এলাকায় বাইকে আসা বেশ কয়েকজন যুবক একটি মাইক্রোবাস থামাচ্ছেন। এরপর চালানো হয় গুলি। গুলি লক্ষ্য ভ্রষ্ট হলে একজনকে কোপাতে দেখা যায়।
এলোপাতাড়ি গুলিতে তখন দুই পথচারী আহত হন। এর মধ্যে ভুবন চন্দ্র শীলের মাথায় গুলি লাগে। তিনি একটি ভাড়া করা মোটরসাইকেলে বাসায় ফিরছিলেন। এছাড়া গুলিবিদ্ধ হয়েছেন আরিফুল নামের আরও এক পথচারী।
গোয়েন্দা পুলিশের প্রধান হারুন অর রশিদ ঘটনার পর জানান, মামুন আমাদেরকে বলেছে যে, আদালতে হাজিরার সময় তার সঙ্গে যখন দেখা হয় তখন ইমন তাকে বলেছিল তাকে দেখে নেবে। সেটা ১২ সেপ্টেম্বর, ১৭ সেপ্টেম্বরই ঘটে হামলা ঘটনা।
শীর্ষ সন্ত্রাসী মামুনের গাড়ি থামিয়ে গুলি, আহত তিন
নির্বাচন ঘিরে রাজধানীতে তৎপর হচ্ছে সন্ত্রাসীরা