ঘোষণা দিয়েও রাজধানীর অধিকাংশ ডিলারের কাছেই পেঁয়াজ পৌঁছাতে পারেনি টিসিবি। তেঁজগাওয়ের আঞ্চলিক কার্যালয়ে পেঁয়াজ নিতে ডিলাররা ভিড় করলেও তাদের ফিরতে হয় খালি হাতে।
টিসিবি জানায়, রাজধানীর ৫টি ওয়ার্ডের ৫ ডিলারকে দেয়ার পরই শেষ হয় প্রথম লটের পেঁয়াজ। এদিকে প্রশ্ন উঠেছে পেঁয়াজের মান নিয়েও।
ভারতের শুল্ক আরোপের পর দেশেও অস্থির হয়ে ওঠে পেঁয়াজের বাজার। দাম বেঁধে দিয়েও নিয়ন্ত্রণে আনা যায়নি পেয়াজের দাম। আমদানি করা পেয়াজের দাম ঠেকেছে ৭০ থেকে ৭৫ টাকা।
নিন্ম আয়ের মানুষকে কিছুটা স্বস্থি দিতে টিসিবির পণ্যের তালিকায় যুক্ত হয়েছে পেঁয়াজ। প্রতি কেজি ৩৫ টাকা দরে ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে ২ কেজি পেয়াজ কিনতে পারবেন ভোক্তারা। এ উদ্যোগে খুশী হয় নিন্ম আয়ের মানুষ।
এদিকে সোমবার থেকে টিসিবির পেঁয়াজ বিতরণের ঘোষণা দেয়া হলেও রাজধানির অধিকাংশ ডিলারই পেয়াজ পাননি। তারা টিসিবির ঢাকা আঞ্চলিক কার্যালয়ে সকাল থেকে ভীড় করেও সংগ্রহ করতে পারেনি পণ্যটি।
যারা পেয়েছেন তাদের ভেতর কোন কোন ডিলার প্রথম লটের পেয়াজের মান নিয়েও প্রশ্ন তুলছেন।
টিসিবির মুখপাত্র হুমায়ূন কবির জানান, প্রথম লটের পেয়াজ আপাতত শেষ। পণ্য আসা সাপেক্ষে ধাপে ধাপে সব ডিলারই পণ্য পাবেন।
রাজধানিতে বিতরণের পর আমদানি সাপেক্ষে দেশের অন্যান্য বিভাগেও পেঁয়াজ দেয়া হবে। টিসিবির কমমূল্যে পেঁয়াজ বিক্রির এ কার্যক্রম চলবে ডিসেম্বর পর্যন্ত।
