বন্যপ্রাণী পাচারের নেতিবাচক প্রভাব ও পাচার রোধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়ে মার্কিন দূতাবাসের সহায়তায় সেন্টার ফর রিসার্চ অ্যান্ড ইনফরমেশনের (সিআরআই) উদ্যোগে রাজধানীতে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘স্পটলাইট অন ওয়াইল্ডলাইফ এক্সপ্লয়টেশন’ শীর্ষক পলিসি ক্যাফে।
শনিবার দুপুর ১২টায় ঢাকার কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ (কেআইবি) মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত পলিসি ক্যাফেটির যৌথ উদ্যোক্তা ছিলো মার্কিন ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিসের অধীনে ইন্টারন্যাশনাল ক্রিমিনাল ইনভেস্টিগেটিভ ট্রেনিং অ্যাসিস্ট্যান্স প্রোগ্রাম (ইসিট্যাপ)।
পলিসি ক্যাফেতে বক্তারা বাংলাদেশে বন্যপ্রাণী পাচারের নেতিবাচক প্রভাব ও পাচার রোধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়ে তাদের মতামত তুলে ধরেন। এছাড়াও বক্তাদের কাছে এ বিষয়ে নিজেদের মতামত ও প্রশ্ন উপস্থাপন করেন দেশের তরুণ সমাজের সদস্যরা।
জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ দূত ও সংসদ সদস্য সাবের হোসেন চৌধুরী বলেন, আমাদের নিজেদের স্বার্থেই বন্যপ্রাণী, জীববৈচিত্র্য ও পরিবেশ রক্ষা করা আমাদের কর্তব্য। বন্যপ্রাণী পাচার রোধে বাংলাদেশ সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের কথাও তুলে ধরেন তিনি।
সিআরআই ট্রাস্টি এবং পলিসি ম্যাগাজিন হোয়াইটবোর্ডের চিফ এডিটর রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক বন্যপ্রাণী পাচার রোধের গুরুত্ব ও এক্ষেত্রে দেশের তরুণ প্রজন্মের বলিষ্ঠ ভূমিকা নেয়ার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন। এছাড়াও এ বিষয়ে শক্তিশালী নীতি নির্ধারণের ওপরও জোর দেন তিনি।
পলিসি ক্যাফেটিতে ক্রিয়েটিভ কনজারভেশন এলায়েন্সের হেড অব অপারেশনস ফাহিম জামান, ইসিট্যাপের ওয়াইল্ডলাইফ প্রোটেকশন অ্যাক্টিভিটি সিনিয়র অ্যাডভাইসর ক্রেইগ ফুলস্টোন, ইসিট্যাপের ওয়াইল্ডলাইফ প্রোটেকশন অ্যাক্টিভিটির প্রোগ্রাম কোঅর্ডিনেটর ড. সামিয়া সাইফ প্রমুখ বিশিষ্টজনরাও যোগ দেন।
বন্যপ্রাণী পাচার এবং এর বিধ্বংসী প্রভাব সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করাই ছিল এই পলিসি ক্যাফের লক্ষ্য। একটি কার্যকর বন্যপ্রাণী সুরক্ষা নীতির জন্য কৌশল প্রণয়ন করা এবং বাংলাদেশ সরকারের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের সুপারিশ করাও এর উদ্দেশ্য। বাংলাদেশে বন্যপ্রাণী পাচারের ওপর আরও গুরুত্বারোপ করা উচিত বলে অনুষ্ঠানের শেষে একমত প্রকাশ করেন অংশগ্রহণকারী ও বক্তারা।
ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর বসবাসে বন্যপশুরা নিরাপদ নয়: মন্ত্রী