একদিকে মাঠে চলছে ধান কাটা, অন্যদিকে বাজারে বাড়ছে চালের দাম। রাজধানীতে কেজিতে দুই টাকা করে বেড়েছে সব ধরনের চালের দাম। ব্যবসায়ীরা বলছেন, নতুন চাল বাজারে আসলে দাম কমে আসবে। এদিকে ডিমের দাম একটু কমলেও একই অংকে আটকে আছে আলু-পেঁয়াজ আর মাছ-মাংসের দাম।
কেজিতে দুই টাকা বেড়ে রাজধানীর খুচরা বাজারে মিনিকেটের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৬৫ থেকে ৭৫ টাকায়। মান ভেদে নাজিরশাইল চাল বিক্রি হচ্ছে ৬৫ থেকে ১২০ টাকা কেজি। এছাড়া গরীবের চাল হিসেবে পরিচিত গুটি স্বর্ণা ৫২ টাকা ও বি.আর ২৮ চাল বিক্রি হচ্ছে ৫৫ টাকা কেজি দরে।
পাইকারীতে আলুর কেজি ৩০/৩৫ টাকায় নেমে এলেও খুঁচরায় ৫০ টাকার ঘরেই আটকে আছে আলুর দাম। আগাম নতুন আলু আসতে শুরু করেছে বাজারে। কেজি প্রতি বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকা করে। গেলো দুই সপ্তাহ ধরেই দেশি পেঁয়াজ ১২০ টাকা আর ইন্ডিয়ান পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৯০ থেকে ১০০ টাকা কেজি দরে।
বাজারে সবজির সরবরাহ বাড়ায় দাম কমছে ডিমের। প্রতি ডজন ডিম কিনতে ক্রেতার এখন খরচ হচ্ছে ১১০ থেকে ১২০ টাকা। তবে মাছ, মুরগী আর মাংসের বাজার স্বস্তিকর আছে এ সপ্তাহে। এসব আমিষ পণ্যের দাম বাড়েনি।
এদিকে ঢাকার বাইরের বাজারগুলোতে দফায় দফায় পাইকারি বাজারে মসুর ডালের দাম বাড়ছে। গেলো এক মাসে খুচরায় বিভিন্ন মানের মসুর ডালের দাম কেজিপ্রতি ২০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। এছাড়া বাড়তি আদা-রসুনের দামও। তবে কমেছে গরুর মাংস, ডিম ও সবজির দাম।
কুমিল্লার বাজারে ১৫ টাকা বেড়ে এক কেজি মসুর ডাল বিক্রি হচ্ছে ১১০ টাকায় । তবে কমেছে গরুর মাংসের দাম। বাজারে শীতের সবজির দাম কম হলেও আদা বিক্রি হচ্ছে ২০০ টাকা কেজিতে। আর রসুন ১৮০ টাকায়।
মানিকগঞ্জের বাজার ঘুরে দেখা গেলো সরবরাহ বাড়ায় মানিকগঞ্জের বাজারেও কমেছে সবজির দাম। ৪০ থেকে ৫০ টাকার মধ্যেই পাওয়া যাচ্ছে প্রায় সব ধরনের সবজি । তবে বাড়তি মাছের দাম। এছাড়া প্রায় দুই বছর ধরে ৭৫০ টাকা কেজি দরেই বিক্রি হচ্ছে গরুর মাংস ।
চট্টগ্রামের বিভিন্ন বাজারে শীতকালীন সবজির দাম এখনো চড়া। তবে গত সপ্তাহের তুলনায় এসপ্তাহে ১৫ টাকা কমে প্রতি ডজন ডিম বিক্রি হচ্ছে ১১৫ টাকায়। অন্যদিকে পেঁয়াজের দাম পাইকারিতে কেজি প্রতি ৫ টাকা কমলেও দাম বেড়েছে আদা ও রসুনের। সরবরাহ বাড়ায় বাজারে সামুদ্রিক ও মিঠা পানির মাছের দাম কেজি প্রতি ৫০-৭০ টাকা কমেছে ।
কৌশলে এটিএম কার্ড বদলে যেভাবে টাকা হাতিয়ে নিতো চক্রটি