বাজারের অতীতের সংস্কৃতির অবসান ঘটেনি। ভোক্তা অধিকার ও শিক্ষার্থীরা বাজার নজরদারি করতে এলে দাম এক রকম আর তারা চলে গেলেই ফিরে আসছে বাড়তি দাম। এমন অভিযোগ করে ক্রেতারা বলছেন; এসব কারণে বাজার পরিস্থিতির তেমন একটা উন্নতি হচ্ছে না। পরিবহনে চাঁদাবাজি কমে এলেও কমছে না সবজির দাম। বেড়েছে চালের দামও।
বুধবার রাজধানীর খুচরা বাজারগুলো ঘুরে দেখা যায় নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের দামে চলছে ওঠানামা। পণ্যবাহি ট্রাকগুলোতে চাঁদাবাজি কমলেও সবজির দামে বড় কোন পার্থক্য মিলছে না।
এদিকে খুচরা বাজারে আরেকদফা বেড়েছে চালের দাম। যদিও এই বাড়তি দামের যৌক্তিক কোন কারন কেউ জানেন না। বিশেষ করে চালের বাড়তি দামের ক্ষুব্ধ ক্রেতারা।
মাছ ও মুরগির বাজারেও কিছুটা পরিবর্তন এসেছে। ব্রয়লার মুরগির দাম কিছুটা কমে ১৫৫ থেকে ১৬০ টাকা, কক মুরগি ২৩০ থেকে ২৪০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। মাছের বাজারে চাষের রুই ৩০০ থেকে ৬০০ টাকা আর ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ৮০০ থেকে ১৮০০ টাকায়।
বাজারে বিভিন্ন ধরনের মাছের দামেও পরিবর্তন দেখা গেছে। চাষের রুই ৩০০ থেকে ৬০০ টাকা, কাতল ৩০০ থেকে ৬৫০ টাকা, চিংড়ি ৭৫০ থেকে ১৫০০ টাকা, পাঙাশ ১৬০ থেকে ২১০ টাকা, মাগুর ৫০০ থেকে ৭০০ টাকা এবং কই ২৫০ থেকে ৩৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। ৫০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ ৮০০ থেকে ৯০০ টাকা এবং এক কেজি ওজনের ইলিশ দেড় হাজার থেকে আঠারোশো টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। খুচরা ব্যবসায়ীদের মতে, আড়তে কমানো হলে মাছের দাম আরও কমবে।
সবমিলে বাজারে পণ্যের দামে এখনও সন্তুষ্ট নন ক্রেতারা। তারা বলছেন, সরকারের যথেষ্ট নজরদারি থাকলে বাজার আরও নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব।
নাজুক অবস্থায় রিজার্ভ