রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে শুরু হয়েছে তিনদিনের বহুমুখী পাটজাত পণ্য প্রদর্শনী ও মেলা। মেলায় এসেছে বাহারি সব রঙ আর ডিজাইনের পাটপণ্য। তবে বিক্রেতারা বলছেন, সরকারের আরও সহযোগিতা পেলে অন্যতম রপ্তানি পণ্য হতে পারে পাটপাণ্য।
তাক লাগানোর দিন ফিরেছে সোনালী আঁশের। বাঙালির আদরের পাট দিয়ে কী হয় আর কী হয় না? সেই প্রশ্নটি এখন ফ্যাকাশে। সেটিই দেখা গেছে বঙ্গবন্ধু আন্তজার্তিক সম্মেলন কেন্দ্রের এ মেলায়।
মেলায় আসা এক দর্শনার্থী জানালেন, এক ছাদের তলায় অনেক উৎপাদকরা আসায় একসাথে বহু পণ্য দেখতে পারছেন তারা। গৃহসজ্জার নানা উপকরণ থেকে শুরু করে রান্নাঘরের নানাকিছুও এখন পাট দিয়ে তৈরি হচ্ছে বলে জানালেন আরেক দর্শনার্থী।
১১০টি স্টলে পরিবেশবান্ধব পাটপণ্য নিয়ে হাজির হয়েছেন বিক্রেতারা। তারা চাইছেন, বছরে এরকম কয়েকটা মেলা দরকার। সেই সাথে তাদের দাবি, গার্মেন্টসের মতো কিছু সুযোগ-সুবিধা তারা পেলে সারা বিশ্বে পাটপণ্য রপ্তানিরও বিপুল সম্ভাবনা তৈরি সম্ভব।
পাটপণ্যের এক উদ্যোক্তা জানালেন, এটা সম্পূর্ণই দেশি পণ্য। তিনি দেশের বাইরে গেলে সবসময় পাটপণ্য সাথে নেন। মেলায় শুধুমাত্র বিক্রির জন্য আসেননি, এতে পণ্যের প্রচারণাও হয় বলে জানালেন আরেক উদ্যোক্তা।
সরকারের খাতায় ২৮২ পণ্য হলেও পাটে তৈরি হচ্ছে অন্তত তিনশোরও পণ্য। তাই পাটের সোনালি দিন আবার ফিরে আসবে পাটপণ্যের প্রচারে, এমনটাই আশা সকলের।
বেইলি রোডে ক্রেতা নেই, জমেনি ইফতার বাজার