রাজধানীর বাজারে পণ্যের দাম নিয়ে ক্রেতাদের উদ্বেগ বাড়ছে। সবজির দাম তুলনামূলক স্থিতিশীল থাকলেও চাল, তেল, মসলা ও মাছের বাজারে দাম ঊর্ধ্বমুখী। নতুন আলুর দাম কমলেও পুরাতন আলুর দাম অপরিবর্তিত। এলাচ, জিরা ও গোলমরিচের মতো মসলার দাম বেড়ে ক্রেতাদের কষ্ট বাড়িয়েছে। মাছ ও মুরগির বাজারেও চড়া দামের প্রভাব লক্ষ্য করা গেছে।
এখন বাজারে গেলে প্রথমেই চোখে পড়ে সবজির ভিড়। মৌসুমী শীতকালীন সবজি যেমন বাঁধাকপি, ফুলকপি, শিম ও মুলা তুলনামূলক সস্তা হলেও টমেটোর মতো সবজির দাম এখনও চড়া। ক্রেতারা বলছেন, পণ্য কেনার সময় হিসাব রাখতে কষ্ট হচ্ছে।
পেঁয়াজ ও আলুর বাজারে কিছুটা পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে। নতুন আলুর দাম প্রতি কেজি ৫০ টাকায় নেমে এসেছে। কিন্তু পুরাতন আলু ৭০ টাকায় স্থির রয়েছে। অন্যদিকে পেঁয়াজের কালির দামও ৫০ টাকা কেজি।
চালের বাজারেও অস্থিরতা। মিনিকেট চাল ৭৫ টাকা এবং নাজিরশাইল ৮২ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। অন্যদিকে, সয়াবিন তেল সরকার নির্ধারিত ১৫৭ টাকার চেয়ে বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। মসলার বাজারেও এলাচ, জিরা এবং লবঙ্গের দামে নতুন করে ঊর্ধ্বগতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
মাছের বাজারেও ক্রেতারা হতাশ। রুই ৪৫০ টাকা এবং কাতল ৪৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। দেশি কৈ এবং শিং মাছের দাম হাজার টাকার ওপরে। ফলে মাছ ক্রয় এখন মধ্যবিত্তের জন্য প্রায় বিলাসিতা হয়ে উঠেছে।
এ অবস্থায় বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাজারে পণ্যের দামের এ ঊর্ধ্বগতি সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। স্থিতিশীল বাজার নিশ্চিত করতে প্রয়োজন কার্যকর পদক্ষেপ।
সাত বিভাগে বজ্রসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস, শীতও বাড়বে