ভোগান্তি ছাড়াই এবার সড়ক-নৌ-রেলপথে ঈদযাত্রা করছেন ঘরমুখো মানুষ। ঈদযাত্রার শেষ মুহুর্তেও রাজধানীর সায়েদাবাদ টার্মিনালে নেই যাত্রীর চাপ। পরিবহন কর্মীরা বলছেন, অন্য বছরের তুলনায় এবার চাঁদ রাতের চিত্রটা ভিন্ন। তবে ফাঁকা টার্মিনালেও আছে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ।
সায়দাবাদ বাস টার্মিনালের কাউন্টারে মা-বাবার সাথে শিশুদের আইসক্রিম, চিপস আর বাস ছাড়ার অপেক্ষা। সারি সারি বাস থাকলেও নেই যাত্রীর চাপ।
তারপরও থেমে নেই বাড়তি ভাড়া আদায়ের অভিযোগ। শেষ মুহুর্তেও অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করে জিম্মি করা হচ্ছে, অভিযোগ যাত্রীদের।
তবে কাউন্টার কর্মীদের দাবি, তারা সরকারি চার্টের চাইতে কম ভাড়া নিয়েও যাত্রী খরা কাটাতে পারছেন না।
বাস মালিকরা আশা করছেন, রোববার সায়েদাবাদ থেকে দুই হাজার বাস বিভিন্ন গন্তব্যে ছেড়ে যাবে। সায়েদাবাদ টার্মিনাল সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল থেকে ২৬টি রুটে বাস চলাচল করছে।
ঈদযাত্রার শেষ মুহুর্তে যাত্রীদের স্বস্তি নিশ্চিত করতে সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
সড়কে তো স্বস্তি রয়েছেই, পাশাপাশি নৌ ও রেলপথেও এবার দেখা গেছে ভিন্ন চিত্র।
ঈদের সময় ঢাকা থেকে ট্রেন ছাড়তে বিলম্ব হওয়ার সঙ্গে ট্রেনযাত্রীদের কমবেশি পরিচয় থাকলেও এবার ট্রেন বিলম্ব হয়নি।
অন্যদিকে এবারের ঈদে ৫০টি রুটে মোট ১৭৫টি লঞ্চ যাত্রীসেবা দিচ্ছে বলে জানিয়েছে বিআইডাব্লিউটিএ।
দেশের আকাশে শাওয়ালের চাঁদ, কাল ঈদ
যেমন থাকতে পারে ঈদের দিনের আবহাওয়া