ঈদ উদযাপন শেষে কর্মজীবনের টানে রাজধানীতে ফিরছেন নগরবাসী। কয়েকদিনের তুলনায় কমলাপুর রেলস্টেশনে শুক্রবারে বেড়েছে যাত্রীর চাপ। সড়কপথেও একই অবস্থা। কাল সড়ক ও রেলপথে সর্বোচ্চ চাপ হতে পারে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা। এদিকে, সার্ভার জটিলতায় অনলাইনে টিকেট বিক্রি বন্ধ থাকায় বিলম্বে ছাড়ে বেশ কয়েকটি ট্রেন।
বাড়ি থেকে ফিরে আসছে স্বপ্ন। স্বপ্ন এবার নেমে পড়বে কর্মক্ষেত্রে। শুক্রবার সকাল থেকেই কমলাপুর রেলস্টেশনের ভিড় ছিলো চোখে পড়ার মত।
শনিবার পথে অতিরিক্ত ভিড়ের শঙ্কায় ছুটি একদিন হাতে রেখেই ফিরছেন বেশিরভাগ যাত্রী। তবে এবারের ঈদ যাত্রা নিয়ে ছিলো স্বস্তি। তবে সাথে ছিলো ছোটখাটো অভিযোগ।
ঈদের পঞ্চম দিনে এসেও রাজধানী ছাড়ার মানুষের সংখ্যা কম ছিলো না, তবে এদিন দেরিতে ট্রেন ছাড়ার অভিযোগ করেছেন বেশিরভাগ যাত্রী। তবে দিনশেষে পরিবারের কাছে যাওয়ার আনন্দ প্রকাশ করেছেন তারা।
বৃহস্পতিবার রাত থেকে সার্ভার জটিলতায় অনলাইন টিকেট বন্ধ থাকায় যাত্রীদের কিছুটা ভোগান্তির কথা স্বীকার করেছেন স্টেশন কর্তৃপক্ষ। এছাড়া সান্টিং পাওয়ার ফেল করায় সকালের কয়েকটি ট্রেন বিলম্ব হয়েছে বলেও জানান তারা।
কমলাপুর রেলস্টেশনের স্টেশন ম্যানেজার শাহাদাত হোসেন বলেন, আসলে ট্রেনগুলো ডাউনে যখন আসে আসার পর ওয়াশপিট হয়। কোচ এটাচিং ডিটাচিং হয়, ড্যামেজ হয়। সব কিছু মিলিয়েই আসলে ট্রেনগুলো লেট হচ্ছে।
শুক্রবার সারাদিন আন্তনগর ও কমিউটার মিলে ১৪০টা ট্রেন যাতায়াত করবে।
ফিরতি যাত্রায়ও দৌলতদিয়ায় নেই ভোগান্তি
তাপপ্রবাহের কবলে ১৩ জেলা, বাড়তে পারে গরমের দাপট