ঈদযাত্রায় সড়ক ও রেলপথের মতো ঘরমুখো মানুষের পদচারণা বেড়েছে রাজধানীর সদরঘাটেও। বৃষ্টি উপেক্ষা করে বৃহস্পতিবার (৫ জুন) সকাল থেকেই শেকড়ের টানে নদীপথে যাত্রা করছেন রাজধানীবাসী। দুপুর পর্যন্ত লঞ্চগুলোতে উল্লেখযোগ্য ভিড় না থাকলেও ছিলো শিডিউল বিপর্যয়। তবে বিকেলের দিকে ভিড় বাড়তে থাকে সবগুলো লঞ্চেই।
বিকেলে সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল পরিদর্শনে আসেন নৌ পরিবহন উপদেষ্টা সাখাওয়াত হোসেন। লঞ্চ ব্যবস্থায় সন্তোষ প্রকাশ করলেও সদরঘাটে আসা-যাওয়ার যানজট নিয়ে হতাশা জানিয়েছেন তিনি।
ঈদের একদিন আগে সড়ক-রেলপথের মতো শেকড়ের টানে নদীপথেও যাত্রা করছেন রাজধানীবাসী। আবহাওয়ার অনিশ্চয়তা, রাস্তার যানজট, কুলিদের উচ্চ ভাড়া দাবির মত অসংখ্য ভোগান্তি পেরিয়ে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে আসেন ঘরমুখো মানুষ। দুপুর পর্যন্ত উপচে পড়া ভিড় না থাকলেও বিকেল গড়াতেই যাত্রীতে কানায় কানায় পূর্ণ হয় প্রতিটি লঞ্চ।
বরিশালগামী লঞ্চগুলো রাতে নয়টার পর ছাড়বার কথা থাকলেও আগেভাগে জায়গা দখল করতে নির্ধারিত সময়ের আগেই এসেছেন যাত্রীরা। তবে অন্যান্য রুটের লঞ্চগুলো নির্দিষ্ট সময়ে না ছাড়ায় ক্ষুব্ধ হন যাত্রীরা।
শিডিউল জটিলতা দেখা গেছে অনেক লঞ্চেই। এমভি ঈগল ৮ লঞ্চও নির্ধারিত সময়ে না ছাড়ায় অভিযান চালায় কোস্ট গার্ড। জরিমানা বা শাস্তিমূলক ব্যবস্থা না নিলেও লঞ্চ ছাড়তে তাদের বাধ্য করে কোস্ট গার্ড।
এদিকে বিকেলে সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল পরিদর্শনে আসেন নৌ পরিবহন উপদেষ্টা সাখাওয়াত হোসেন। সদরঘাটে আসা-যাওয়ার পথের যানজট নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেন তিনি। ভোগান্তি এড়াতে সদরঘাটের জন্য একটি এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণের পরামর্শ দেন উপদেষ্টা।
তবে, সার্বিক লঞ্চ ব্যবস্থাপনায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন নৌ পরিবহন উপদেষ্টা। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে সব ধরনের প্রস্তুতির কথাও জানান তিনি।
রাঙ্গাবালীর নৌপথে বেড়েছে যাত্রীর চাপ, নিরাপত্তায় তৎপর নৌবাহিনী
শেষ মুহূর্তে জমে উঠেছে রাজধানীর পশুর হাট