‘যদি এই রক্তের সঙ্গে বেইমানি শুরু হয়, আমরা তার বিরুদ্ধে দাঁড়াবো’

আপডেট : ০৪ জুলাই ২০২৫, ১১:০৮ পিএম

জুলাই সনদ ঘোষণা, অভ্যুত্থানের শহীদ পরিবার ও আহতদের পুনর্বাসন এবং ফ্যাসিস্টের বিচার নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত দেশে কোনো নির্বাচন চান না শহীদ ও আহত পরিবারের স্বজনরা। তাদের শঙ্কা, বিচার নিশ্চিত ছাড়া নির্বাচন হলে হারিয়ে যেতে পারে তাদের ত্যাগের স্বীকৃতি। রাজনীতিবিদ আর বিশিষ্টজনরা বলেন, আগামীর রাজনৈতিক শক্তিকে জুলাই ধারণ করতে হবে। 

জুলাই অভ্যুত্থানের শহীদ পরিবার ও আহত যোদ্ধাদের নিয়ে শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর বিএমএ মিলনায়তনে সম্মিলন আয়োজন করে গণসংহতি আন্দোলন। মঞ্চে অস্থায়ী বেদি নির্মাণ করে জুলাই আন্দোলনকারীদের সম্মান জানানো হয়।  

গণঅভ্যুত্থানের জনআকাঙ্ক্ষা ও বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি বিষয়ক এই আলোচনায় বক্তব্য দেন আহত ও শহীদ পরিবারের সদস্যরা। তুলে ধরেন জুলাই নিয়ে নানান স্বপ্ন ও শঙ্কার কথা।

 গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি।

শহীদ পরিবারের সদস্য ও আহতরা বলেন, জুলাই সনদের আগে নির্বাচন তারা হতে দেবেন না।

আলোচকরা বলেন, জুলাই আন্দোলনে আত্মত্যাগকারীদের ভুলে গেলে ভবিষ্যতে সরকারকে মীরজাফর হিসেবে আখ্যায়িত করা হবে। 

গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি বলেন, আগামী দিনে রাজনৈতিক শক্তি জুলাইয়ের পক্ষে না থাকলে সবকিছু বেহাত হয়ে যাবে। 

তিনি বলেন, ২০২৪ সালে এদেশের মানুষ বুক চিতিয়ে এক মরণপণ লড়াইয়ে অংশ নিয়েছেন। আমরা শহীদ পরিবার ও আহত যোদ্ধাদের প্রতি কৃতজ্ঞ, যে কৃতজ্ঞতা অবশ্যই আমাদের রাজনীতিতে প্রতিফলিত হবে। বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ রাজনীতি ও আমাদের দল এই রক্তের ঋণ মনে রাখবে। এদেশের রাজনীতিতে যদি এই রক্তের সঙ্গে বেইমানি শুরু হয়, আমরা তার বিরুদ্ধে দাঁড়াবো। আসছে ৫ আগস্টের আগেই অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কাছে আমরা ব্যাখ্যা চাই, কেন এত দিনেও শহীদের মর্যাদা নিশ্চিত করা হলো না। আমরা স্পষ্টভাবে জানতে চাই, কত দিনের মধ্যে ও কীভাবে শহীদ ও আহতদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা হবে, সুচিকিৎসা নিশ্চিত করা হবে এবং তাদের জীবনের দায়িত্ব নেয়া হবে। 

তিনি আরও বলেন, ৫ আগস্টের আগেই আমরা ন্যায়বিচারের যথাযথ দৃশ্যমান অগ্রগতি দেখতে চাই। দেশের অর্থনীতির পুনর্গঠন, জনগণের জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা ও তাদের জীবনের সংকটের সমাধান করতে হবে। অভ্যুত্থানের সরকারের বৈশিষ্ট্য হবে জনগণের সকল সংকট মোচনের জন্য সর্বোচ্চ দায়িত্ব নেয়া। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের দায়িত্ব ছিল জনগণকে ঐক্যবদ্ধ করা। আমাদের ঐক্যবদ্ধতাই সংস্কারকে নিশ্চিত করতে পারবে। আগামী নির্বাচনে ভোট হবে সংস্কারকে প্রতিষ্ঠিত করার হাতিয়ার। ৫ আগস্ট আমাদের অর্জিত বিজয়কে সুরক্ষিত করার জন্য জনগণের পক্ষের রাজনৈতিক শক্তির দরকার। 

এসময় ১ আগস্ট আহত ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের নিয়ে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে জুলাই সমাবেশ করার ঘোষণাও দেন জোনায়েদ সাকি। 

সম্মিলনে আরও বক্তব্য রাখেন- শহীদ জুলফিকার শাকিলের মা আয়েশা বিবি, শহীদ ফারহান ফাইয়াজের বাবা শহীদুল ইসলাম ভুইয়া, শিক্ষক হাসান আশরাফ, শহীদ মাহমুদুর রহমান সৈকতের বাবা মাহবুবুর রহমান, নির্মাতা আকরাম খান, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা উমামা ফাতেমা, শ্রম সংস্কার কমিশনের প্রধান সৈয়দ সুলতান উদ্দিন আহমেদ, আইনজীবী হুমায়রা নূর, শহীদ ইয়ামিনের বাবা মো মহিউদ্দিন, শহীদ মইনুলের স্ত্রী মায়মুনা ইসলাম, শহীদ রমিজ উদ্দিনের বাবা একেএম রকিবুল ইসলাম, জুলাইযোদ্ধা আল আমিন, জুলাইযোদ্ধা মাওলানা শফিকুর রহমানসহ শহীদ পরিবারের সদস্য ও আহত যোদ্ধারা।

 

আরবিএস
সরকারের অবস্থানের সঙ্গে মতপার্থক্যের কথা উল্লেখ করে সাতজন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ও ১১ জন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল একযোগে পদত্যাগ করেছেন।
চব্বিশের জুলাই অভ্যুত্থানে সংবাদমাধ্যম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে বলে উল্লেখ করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিচারপ্রক্রিয়া প্রশ্নবিদ্ধ করতে একটি মহল পরিকল্পিতভাবে অপপ্রচার চালাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম।
উন্নত চিকিৎসার জন্য গুলিবিদ্ধ জুলাই যোদ্ধা শরিফ ওসমান হাদিকে সিঙ্গাপুরে নিয়ে যেতে একটি এয়ার অ্যাম্বুলেন্স ঢাকায় এসেছে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দীর্ঘদিন ধরে রাজপথে ফ্যাসিবাদ বিরোধী যুগপৎ আন্দোলনে শরিক নেতাদের উদ্দেশ্য বলেছেন, আমরা অতীতে একসাথে ছিলাম, আছি এবং একসাথেই থাকবো।
স্বাক্ষরিত জুলাই সনদ অক্ষরে অক্ষরে পালন করবে বিএনপি সরকার। যুগপৎ আন্দোলনের শরিকদের এমনটিই জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বিশ্বকাপের ফাইনালে আর্জেন্টিনার বিরুদ্ধে স্পেনের মহাকাব্যিক জয় শুধু একটি ঐতিহাসিক ট্রফি অর্জন আর রূপকথার গল্প নয়, এটি ছিল ফুটবলের এক প্রজন্ম থেকে অন্য প্রজংশে ব্যাটন হস্তান্তরের স্মারক। ফুটবল...
২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের রোমাঞ্চকর ফাইনালে আর্জেন্টিনার বিরুদ্ধে ইনজুরি টাইমে ফেরান তোরেসের অবিশ্বাস্য গোল স্প্যানিশ ফুটবলে নতুন ইতিহাস লিখেছে। ২০১০ সালে আন্দ্রেস ইনিয়েস্তার সেই ঐতিহাসিক জয়ের পর দেশকে...
লোডিং...
সর্বশেষপঠিত

এলাকার খবর