রোহিঙ্গাদের শীর্ষ নেতা ও আরাকান রোহিঙ্গা সোসাইটি ফর পিস অ্যান্ড হিউম্যান রাইটসের (এআরএসপিএইচ) চেয়ারম্যান মুহিবুল্লাহ হত্যার ঘটনায় মামলা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৩০ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ৯টার দিকে উখিয়া থানায় মামলাটি করেন নিহতের ছোট ভাই হাবিবুল্লাহ।
উখিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ সনজুর মোর্শেদ জানান, মামলায় কাউকে আসামি করা হয়নি। আসামি অজ্ঞাত আছে।
এদিকে হত্যাকাণ্ডের পর মামলার বাদি হাবিবুল্লাহ গণমাধ্যমকে জানিয়েছিলেন, তিনজন খুনিকে চিনতে পেরেছেন তিনি। তারা হলেন- রোহিঙ্গাদের সংগঠন কথিত ‘আসরা-ও আল-ইয়াকিন’ নেতা হিসেবে পরিচিত মাস্টার আবদুর রহিম, মুর্শিদ ও লালু।
তবে ওই সময় তাদের নাম প্রকাশ করলে তাকে মেরে ফেলা হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন হাবিবুল্লাহ।
অনেক রোহিঙ্গাদের মতে, হুমকির কারণে ‘চিহ্নিত খুনিদের’ আসামি করা হয়নি। তবে এ ব্যাপারে বক্তব্য নিতে হাবিবুল্লাহর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
‘চিহ্নিত খুনিদের’ আসামি না করা প্রসঙ্গে ওসি বলেন, বাদি যেভাবে এজাহার দিয়েছেন, সেভাবে মামলাটি রেকর্ড করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: বৈধ কাগজপত্র না থাকায় মালয়েশিয়ায় ৯৫ বাংলাদেশিসহ আটক ৩২৬
উল্লেখ্য, গত বুধবার রাতে উখিয়ার কুতুপালং লম্বাশিয়া রোহিঙ্গা ক্যাম্প এলাকায় ইস্ট-ওয়েস্ট ১ নম্বর ব্লকের বাড়ির সামনে রোহিঙ্গা নেতা মুহিবুল্লাহকে গুলি করে হত্যা করা হয়।
একাত্তর/এসি
