বৌভাত অনুষ্ঠানে বরপক্ষের লোকজন বরের জন্য যৌতুক ও কনের জন্য জামাকাপড় নিয়ে আসেনি কেন, এ নিয়ে কটূক্তি করায় কনেপক্ষের বিরুদ্ধে বরপক্ষকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় কনের মা, ভাই-বোনসহ ৫ জন আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় কনের বাবা আইয়ুব আলী মনপুরা থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন। আর এতোসব ঘটনার মধ্যেই নববধূকে নিয়ে পালিয়ে গেছেন বর।
রোববার (১৭ অক্টোবর) দুপুরে ভোলার মনপুরা উপজেলার দক্ষিণ সাকুচিয়া ইউনিয়নের চরগোয়ালিয়া গ্রামের ৬ নম্বর ওয়ার্ডে বর আল-আমিনের বাড়িতে বউভাতে এ মারামারির ঘটনা ঘটে।
আহতদের উদ্ধার করে মনপুরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। তারা সবাই উপজেলার দক্ষিণ সাকুচিয়া ইউনিয়নের চরগোয়ালিয়া গ্রামের বাসিন্দা।
কনের পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দক্ষিণ সাকুচিয়া ইউনিয়ের আল-আমিনের সঙ্গে গত বৃহস্পতিবার তানজিলা আক্তার মিমের বিয়ে হয়। বিয়ের দুই দিন পর কনেপক্ষের লোকজন রোববার রাতে বরের বাড়িতে বৌভাত অনুষ্ঠানে যান। সেখানে ঘটক রুবেল কনেপক্ষের কাছে ১০ হাজার টাকা দাবি করেন। আর বরপক্ষের লোকজন বরের জন্য যৌতুক ও কনের জন্য জামাকাপড় নিয়ে আসেনি কেন, এ নিয়ে কটূক্তি করতে শুরু করে। এ সময় কনেপক্ষ খাবার টেবিলে পানি দিতে বললে বরপক্ষ ক্ষেপে যায়। একপর্যায়ে ঘটক রুবেলসহ পাঁচ-সাতজন কনেপক্ষকে মারধর শুরু করে।
এঘটনার ভেতরেই কনেকে নিয়ে বর আল-আমিন পালিয়ে গেছেন। দক্ষিণ সাকুচিয়া ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান অলি উল্লা কাজল জানান, বৌভাত অনুষ্ঠানে মারামারি ঘটনা ঘটেছে শুনেছি। কনেপক্ষকে ডেকে আইনি প্রদক্ষেপ গ্রহণের জন্য বলেছি।
আরও পড়ুন: জেলখানার খাবার খেতে পারছেন না আরিয়ান
মনপুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইদ আহমেদ জানান, বৌভাত অনুষ্ঠানে কনেপক্ষের লোকজনকে মারধরের ঘটনায় কনের বাবা আইয়ুব আলী বাদী হয়ে লিখিত অভিযোগ করেছেন। তদন্তসাপেক্ষে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
একাত্তর/এসএ
