সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলার ডিবির হাওরে লাল শাপলার সাম্রাজ্যে এখন পর্যটকদের ঢল। ডিবির হাওরের বুকে চারটি বিলজুড়ে শাপলা ফুলের হাসি মন ভরিয়ে দেয় পর্যটকদের। পাহাড়, বন আর জলাশয় এর মাঝখানে লাল শাপলার অপরুপ সৌন্দর্য প্রতিদিন টেনে আনছে সৌন্দর্য পিপাসুদের।
ভোরের আলো ফোটার সাথে শত শত মানুষের গন্তব্য জৈন্তাপুরের এই নিভৃত ডিবির হাওরে। লতা, পাতা গুল্মে ভরা হাওরের বুকজুড়ে লাল শাপলার রাজ্য। ভোরের স্নিগ্ধতায় শাপলা বিলের এ অনিন্দ সুন্দর দৃশ্য মন ভরিয়ে দেয় পর্যটকদের।

অক্টোবর থেকে মার্চ মাস পর্যন্ত ভরা যৌবন থাকে লাল শাপলার এ সাম্রাজ্যে। এসময় প্রতিদিন হাজার হাজার পর্যটক ভিড় করেন প্রকৃতির অনিন্দ্য সুন্দর দৃশ্য উপভোগ করতে। তবে, অনুন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থার কারণে অনেক সময় বিড়ম্বনায় পড়তে হয় পর্যটকদের।
তবে সরকারি খাস খতিয়ানভুক্ত এ হাওরে সম্প্রতি চোখ পড়েছে প্রভাবশালীদের। তাদের দখলবাজিতে হুমকির মুখে পড়তে যাচ্ছে শাপলা বিলের অস্তিত্ব।

ভোরের আলোয় শাপলার হাসি আলোকিত করে দেয় হাওরের বুক। তবে, সূর্যের আলো বাড়ার সাথে সাথে নেতিয়ে পড়া শাপলার চেহারা অন্য রকম সৌন্দর্য ফুটিয়ে তুলে হাওরজুড়ে।
শাপলার হাসি আরও আলোকিত করে দেয় বিলগুলোকে। প্রকৃতি তার নিজ হাতে লাল শাপলার হাসিতে সাজিয়ে দিয়েছে বিলগুলোকে। বেড়াতে আসা যেকোনো ভ্রমণপিপাসুদের মনের দুয়ার খুলে দেবে এই শাপলা বিল।

কীভাবে যাবেন?
সিলেট থেকে সরাসরি সিলেট-তামাবিল সড়কপথে বাস, লেগুনা, সিএনজিচালিত অটোরিকশা অথবা প্রাইভেট কারে আসতে হবে জৈন্তাপুরে। জৈন্তাপুর বাজার থেকে কিছ দূর গেলেই সড়কের ডান দিকে দেখা যাবে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) ডিবির হাওর বিশেষ ক্যাম্প। ক্যাম্পের পাশ দিয়ে কাঁচা সড়কে এক কিলোমিটার পথ পাড়ি দিলেই পৌঁছে যাবেন শাপলা বিলে। নৌকার ভাড়া নেবে ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা। সারা দিনের জন্য সিএনজিচালিত অটোরিকশার ভাড়া নেবে ১৫০০ থেকে ১৮০০ টাকা।

একাত্তর/ এনএ
