জমে উঠেছে নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের শেষ সময়ে প্রচারণা। তবে এই প্রচারণায় কিছুটা বেগ পেতে হচ্ছে প্রার্থী আর সমর্থকদের। বড় কোন ঘটনা না ঘটলেও বেশ কয়েক জায়গায় প্রচারণায় বাঁধা ও হামলার খবর পাওয়া গেছে বিচ্ছিন্নভাবে।
এছাড়াও বিগত সময় ইউপি নির্বাচনে সহিংসতা ও প্রাণহানির ঘটনাও ঘটেছে। এসব কিছু চিন্তা করেই ভোটাররা কিছুটা শঙ্কিত। তাদের প্রত্যাশা শান্তিপূর্ণ পরিবেশ। ভোট যেন হয় উৎসব মুখর।
এদিকে নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিদের শঙ্কা রয়েছে সহিংসতার। মেয়র পদ নিয়ে না হলেও কাউন্সিলর পদে অনেক প্রতিদ্বন্দ্বী। এসব প্রার্থীদের মধ্যে কারো কারো নামে মারামারি, চাঁদাবাজি ও মাদক আইনের মামলা আছে। বিগত সময় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে একাধিকবার সংঘাতেও জড়িয়েছেন অনেকে। মামলায় জেল খেটে জামিনে আছেন কেউ কেউ।
এসব বিষয়ে পুলিশ সুপার জায়েদুল আলম বলছেন, প্রতিটি এলাকায় পুলিশের নজরদারীসহ তৎপরতা বাড়ানো হয়েছে।
এবার এই নির্বাচনে কাউন্সিলর পদে ১৪৮ জন ও সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর পদে ৩৪ জনসহ ১৮৯ জন প্রতিদ্বন্দ্বীতা করবেন। ২৭টি ওয়ার্ডে পাঁচ লাখ ১৭ হাজারের অধিক ভোটার তাদের পছন্দের প্রতিনিধিকে বেছে নেবেন ১৬ জানুয়ারী।
২৭ টি ওয়ার্ডের মোট ভোটার সংখ্যা ৫ লাখ ১৭ হাজার ৩৫৭ জন। এর মধ্যে ২ লাখ ৫৯ হাজার ৮৩৯ জন পুরুষ ভোটার ও ২ লাখ ৫৭ হাজার ৫১৭ জন নারী ভোটার রয়েছে। ইভিএমের মাধ্যমে ১৬ ই জানুয়ারি তৃতীয়বারের মতো অনুষ্ঠিত হবে নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেন।
একাত্তর/ এনএ
