উত্তরের জেলাগুলোতে বইছে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ। দুপুরের আগে সূর্যের দেখা মিলছে না। শনিবারে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় ৮ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বইছে শৈত্যপ্রবাহ। ঘন কুয়াশা আর হিম বাতাসে বেড়েছে শীতের তীব্রতা। একই সাথে বেড়েছে ঠাণ্ডাজনিত নানা রোগ।
হাসপাতালগুলোতে উপচে পড়া ভীড়, হিমশিম খেতে হচ্ছে চিকিৎসকদের। প্রতিদিন গড়ে দুইশ শিশু চিকিৎসা নিচ্ছে হাসপাতালে। এতো রোগীর চিকিৎসা দিতে বিপাকে তারা।
কুড়িগ্রামে কুয়াশা কেটে গেলেও বেড়েছে শীত। এতে দুর্ভোগে পড়েছেন শিশু-বৃদ্ধ ও খেটে খাওয়া মানুষ। হাসপাতালগুলোতে বেড়েছে ডায়রিয়া, নিউমোনিয়া ও শীতজনিত রোগীর সংখ্যা।
শীতে কাবু শেরপুর জেলাবাসীও। খড়কুটো জ্বালিয়ে শীত কমানোর চেষ্টা করছেন নিম্নআয়ের মানুষ। বেড়েছে ঠাণ্ডাজনিত রোগও। জেলার শ্রীবরদী, ঝিনাইগাতী ও নালিতাবাড়ী এলাকায় ঠাণ্ডা রোগে আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা বেশি।
আগে প্রতিদিন যেখানে গড়ে ১০০ রোগী আসতো, এখন সেখানে প্রতিদিন গড়ে ৪০০ শ' রোগী আসছেন চিকিৎসা নিতে। জেলার প্রতিটি হাসপাতালে খোলা হয়েছে শিশু কর্ণার।
চুয়াডাঙ্গার তাপমাত্রা আজ ১১.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। শীতের প্রকোপ কমলেও, রোটাভাইরাস, ডায়রিয়া, নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালগুলোতে ছুটছেন শিশু ও বৃদ্ধরা।
মৌলভীবাজারে আজ তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তাপমাত্রা না বাড়লেও বেড়েছে রোগীর সংখ্যা। বেশিরভাগই ভর্তি হচ্ছেন শ্বাসকষ্টসহ ঠাণ্ডাজনিত রোগে। জেলার ২৫০ শয্যার হাসপাতালের বহির্বিভাগে রোগি বেড়েছে দ্বিগুন। ভর্তিও রোগী বাড়ায় শয্যার অভাবে হাসপাতালের মেঝেতেই দিতে হচ্ছে চিকিৎসা।
