টেকনাফ-২ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল মোহাম্মদ ফয়সল হাসান খান বলেন, নিহত ব্যক্তিরা মাদকের চালান পাচারকালে গুলিবিনিময়ে নিহত হন। ঘটনাস্থল থেকে তিন লাখের বেশি পিস ইয়াবাসহ দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
তিনি বলেন, ভোর রাতে একটি মাদকের চালান আসার গোপন সংবাদ আসে। এর ভিত্তিতে বিজিবির একটি দল ওই এলাকায় অবস্থান নেন। একপর্যায়ে নাফ নদীর জলসীমার শূন্যরেখা অতিক্রম করে একটি নৌকা নিয়ে পাঁচজন সন্দেহজনক লোকজন আসতে দেখে বিজিবি থামার নির্দেশ দেয়।
এসময় তারা না থেমে বিজিবি সদস্যদের লক্ষ্য করে গুলি ছুড়তে শুরু করে। বিজিবির সদস্যরা আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি ছোড়ে। একপর্যায়ে নৌকা থেকে তিনজন লাফ দিয়ে জলসীমার শূন্যরেখা অতিক্রম করে মিয়ানমার দিকে পালিয়ে যায়। নৌকায় থাকা অপর দুইজন গুলি করতে করতে নাফ নদীর তীরবর্তী কেওড়া বনের ভেতর দিয়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। গোলাগুলি থেমে গেলে ঘটনাস্থলে দুইজনকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পাওয়া যায়।
তাদের টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
তিনি আরও বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে নিহতরা মিয়ানমারের রোহিঙ্গা নাগরিক। তাদের বয়স আনুমানিক ২০ থেকে ৩৫ বছর।
এ ঘটনায় দুপুরে টেকনাফ বিজিবির সদর দফতরে সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত জানানো হবে বলে জানান তিনি।
