কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্পে প্রায় আগুনের খবর শিরোনামে আসে। দু’দিন আগেও উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আগুনের ঘটনা ঘটেছে। আর এসবের পেছনে জড়িত রয়েছে একটি চক্র।
একাত্তরের হাতে আসা একটি ফোনালপ থেকে চাঞ্চল্যকর এমন তথ্য পাওয়া গেছে। রোহিঙ্গা ভাষার সেই ফোনালাপে ক্যাম্পে নিয়মিত আগুন দেয়ার নির্দেশ দিতে শোনা গেছে।
এদিকে, উখিয়ার সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা অভিযোগ করেছেন, কয়েকটি বেসরকারি সংগঠনও এই আগুনের সঙ্গে জড়িত।
শরনার্থী বিষয়ক কর্মকর্তারা বলছেন, রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আগুন ঠেকাতে ব্লক ভিত্তিক স্বেচ্ছাসেবক টিম গঠন করা হয়েছে।
একাত্তরের হাতে আসা ফোনালাপে স্পষ্ট বোঝা গেছে, কন্ঠটি ক্যাম্পের কোন একজন রোহিঙ্গার।
রাশেদ পরিচয় দিয়ে রোহিঙ্গা মাঝি মাষ্টার আব্দুর রহিমের উদ্দেশ্যে একাত্তরের হাতে আসা একটি অডিও বার্তায় বলতে শোনা যায়, রোহিঙ্গাদের সন্ত্রাসী বানাতে অনেকে চেষ্টা হচ্ছে। এটি বন্ধ করতে মজলিশের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ক্যাম্প ভিত্তিক আগুন ধরিয়ে দিতে হবে।
পরে, এই বার্তা রোহিঙ্গাদের মাঝে ছড়িয়ে দিতে অনুরোধ করা হয় অডিওতে। রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ১৫ দিনে তিনটি অগ্নিকান্ডের ঘটনা রহস্যজনক বলে দাবি করেন এলাকার লোকজনও।
আর, সুশীল সমাজের কেউ কেউ সন্দেহ করেন, রোহিঙ্গা ক্যাম্পে কাজের পরিধি কমে গেছে। যে কারণে কিছু কিছু বেসরকারি সংগঠন নতুন করে কাজের ক্ষেত্র সৃষ্টির জন্যে এ রকম বিপদজ্জনক পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে পারে।
কক্সবাজার ফায়ার সার্ভিসের সহকারি পরিচালক মোঃ আব্দুল্লাহ জানান, তারা সবসময় অগুনের পরে পৌঁছান। যে কারণে আগুনের উৎস জানার সুযোগ পাননা।
শরণার্থী বিষয়ক কমিশনের অতিরিক্ত কমিশনার মোহাম্মদ সামছু-দ্দৌজা নয়ন বলেন, ক্যাম্পে আগুনের ঘটনা প্রতিরোধে ব্লক ভিত্তিক স্বেচ্ছাসেবকদল গঠন করা হয়েছে।
একাত্তর/এসএ
