রাঙ্গামাটির নানিয়ারচর উপজেলায় চলতি মৌসুমে দ্বিতীয়বারের মতো চাষ হচ্ছে বোরো ধান। চাষে পরিবারের সদস্যদের অংশগ্রহণ ও গ্রামের ঝিরি থেকে পানি আসায় ধান চাষে লাভবান হচ্ছেন এখানকার চাষিরা। ফলে অন্যান্য ফসলের পাশাপাশি ধান চাষে ঝুঁকছেন আরও বেশি সংখ্যক মানুষ।
শুক্রবার (৪ ফেব্রুয়ারি) সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, উপজেলার বগাছড়ি, ঘিলাছড়িসহ বেশ কয়েকটি গ্রামে কৃষকেরা মৌসুমের দ্বিতীয়বারের মতো ধানের সেচ নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন। পাশাপাশি তারা টমেটো, সরিষাসহ বিভিন্ন ধরণের শাক-সবজির চারা রোপণ ও সার তৈরির কাজও করছেন তারা।
চাষি বিধান চাকমা জানান, এবারের বোরো ধান চাষে প্রথম মৌসুমে মন প্রতি দুই হাজার থেকে আড়াই হাজার টাকা করে চাল বিক্রি করতে পেরেছি। এছাড়া, ধান থেকে আসা কুড়া মন প্রতি ৫০০-৬০০ টাকায় বিক্রি সম্ভব হচ্ছে । এখন পরবর্তী ফসল চাষাবাদের জন্য জমিতে আবার এই ধান লাগিয়েছি, সৃষ্টি কর্তার দয়ায় এবারও ভালো লাভবান হবো বলে আমি আশাবাদী।
আরও পড়ুন: প্রতি বছর ক্যান্সারের কাছে হার মানছে লক্ষাধিক মানুষ
নানিয়ারচর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা টিপু সুলতান জানান, এই উপজেলার মাটি উর্বর হওয়ায় ধান চাষে অনেক লাভজনক। ভালো আয় করছেন চাষিরা। গেলো বছর উপজেলায় ৫০০ হেক্টর জমিতে এই ধানের চাষ হয়েছিলো, এবারও আমাদের ধারণা ছিলো ৫০০ হেক্টর জমিতে ধান চাষ হবে। তবে দেখা যাচ্ছে প্রায় ৭০০ থেকে ৮০০ হেক্টর জমিতে এবার এই বোরো ধানের চাষ হচ্ছে। ফলন বেশি এবং লাভজনক আয়ের কারণেই এই বোরো ধানের চাষে চাষিদের আগ্রহ দেখা যাচ্ছে।
একাত্তর/আরবিএস
