সাভারের টিকাকেন্দ্রে উপচেপড়া ভিড় সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে পুলিশ ও স্বাস্থ্যকর্মীরা। বুধবার আনসার, স্বাস্থ্যকর্মীসহ আহত আটজনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
২৬ ফেব্রুয়ারির পর করোনার টিকার প্রথম ডোজ দেওয়া বন্ধ রাখার বিষয়ে ঘোষণার পর থেকে টিকা নিয়ে হুড়োহুড়ির পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বলে দাবি অনেকের। এদিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সুত্র জানায়, ভিড় সামলাতে আরও বেশ কয়েকটি টিকা কেন্দ্র চালু করা হয়েছে৷ এছাড়া পৌর শহরে মাইকিং করে ২৬ তারিখের পরও টিকা নেওয়া যাবে বলে প্রচার করা হয়েছে৷
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকাল থেকেই হাজার হাজার মানুষ করোনার টিকার প্রথম ডোজ নিতে সাভার উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্র সংলগ্ন নার্সিং প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে আসেন। এরপর টিকা নেওয়াকে ঘিরে শুরু হয় হুড়োাহুড়ি। এ সময় আনসার সদস্যরা পরিস্থিতি সামাল দেয়ার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন।
টিকে নিতে আসা অনেকে জানান, পরিস্থিতি সামলাতে স্বাস্থ্যকর্মী, আনসার ও পুলিশ সদস্যদের হিমশিম খেতে হচ্ছে।
আরও পড়ুন: নার্সের সাথে বিতর্কের জেরে রোগীর স্বামীকে কোপানোর অভিযোগ
টিকা নিতে আসা মানুষের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ২৬ ফেব্রুয়ারির পর করোনা টিকার প্রথম ডোজ দেওয়া বন্ধ রাখা হবে সম্প্রতি স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এ বি এম খুরশীদ আলমের এমন ঘোষণার পর থেকেই পোশাক শ্রমিকদের মধ্যে টিকা গ্রহণের প্রবণতা বেড়ে যায়।
তবে সরকার এ সিদ্ধান্ত থেকে সরে এলেও সাভারে টিকা প্রত্যাশীদের চাপ কমেনি। দিন দিন তা বেড়ে নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়।
সাভার উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সায়েমুল হুদা বলেন, টিকাপ্রত্যাশী হাজার হাজার মানুষের উপচেপড়া ভিড় আর হুড়োাহুড়িতে স্বাস্থ্যবিধি উধাও হয়ে গেছে। কোনোভাবেই এ চাপ সামলানো যাচ্ছে না।
সাভার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাইনুল ইসলাম বলেন,থানা থেকে অতিরিক্ত ফোর্স টিকাকেন্দ্রে মোতায়েন করা হয়েছে।
একাত্তর/টিএ
