ঈদযাত্রার শেষদিনে যানবাহনের চাপ নেই মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া ও মুন্সীগঞ্জের শিমুলিয়া-কাওরাকান্দি ঘাটে। যদিও সকাল ১১ টার পর শিমুলিয়া লঞ্চ ঘাটে যাত্রীদের উপস্থিতি সামান্য বেড়েছিলো। ঘাট সংশ্লিষ্টরা বলেছেন, অন্য সাধারণ দিনের চেয়েও ঘাটে যাত্রী এখন কম। লম্বা সময় ধরে ছুটি থাকায় ধীরে ধীরে যাত্রীরা প্রিয়জনের সাথে ঈদ করতে বাড়ী গেছেন।
দুপুর ১২ টা পর্যন্ত মুন্সীগঞ্জের শিমুলিয়া ফেরি ঘাট থেকে ছেড়ে গেছে ৬ টি ফেরী। বাস, মোটরসাইকেল বা ব্যাক্তিগত গাড়ি কোনো ধরণের বাহনের চাপ ছিলো না। যাবাহনের অভাবে দীর্ঘ সময় বসে থাকতে দেখা গেছে ফেরীগুলোকে।
একই অবস্থা শিমুলিয়া লঞ্চঘাটেও। যাত্রীরা বলেছেন করোনার কারণে গত দুই বছর বাড়ীতে যেতে পারেন নি। ঘাঘে ভীড় নেই শুনে রওনা হয়েছে৷ বাড়ীর পথে।
ঈদযাত্রা নির্বঘ্ন করতে, পুলিশ ও অনসার সদস্যদের তৎপরতা দেখা গেছে। স্পিড বোটে ১৫০ টাকার ভাড়া ২০০ টাকা নেয়ার অভিযো পাওয়া গেছে।
এদিকে মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া ফেরিঘাটে সকাল থেকে যাত্রী আর যানবাহন একেবারেই কম থাকায়, ফেরিগুলোকে অনেকক্ষন বসে থাকতে হচ্ছে। একই অবস্থা পাটুরিয়া লঞ্চ ঘাটেও।
প্রশাসন বলছে, এবার মহাসড়ক ও ফেরি ঘাট এলাকায় সব ধরণের পরিবহনের জন্য আলাদা লেন করা সহ, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা কঠোর ছিলেন।
রাজধানী থেকে শিমুলিয়া ও পাটুরিয়া ঘাটে যাওয়া যাত্রীরা বেশি ভাড়া আদায় করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। একই সাথে ফেরি পারাপারে মোটরসাইকেল ভাড়া ৭০ টাকার যায়গায় রাখা হচ্ছে ১২০ টাকা।
একাত্তর/এসএ
