চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের বিএম কনটেইনার ডিপোতে আগুন ও বিস্ফোরণের ঘটনায় আহতদের অনেকেই মানসিক ট্রমায় ভুগছেন। তারা কিছুতেই ভুলতে পারছেন না দুঃসহ সেই ঘটনা।
চট্টগ্রাম মেডিক্যালের চিকিৎসকরা বলছেন, এ ঘটনায় আহতরা শারীরিকভাবে সুস্থ হয়ে উঠার পর, তাদের অনেকের মনো-চিকিৎসার প্রয়োজন হতে পারে।
বিএম ডিপোর বিস্ফোরণের সাথে সাথেই গায়ে আগুন ধরে যায় ডিপোর ইকুইপমেন্ট ইঞ্জিনিয়ার জামিরুল ইসলামের। নিজেকে বাঁচাতে ঝাঁপ দেন ডিপোর পাশের একটি পুকুরে।
পরে এলাকাবাসী তাকে উদ্ধার করে নিয়ে আসেন চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। ঘটনার এক সপ্তাহ পার হলেও সেদিনের কথা বিন্দুমাত্র ভুলতে পারেননি তিনি।
আগুন আর বিস্ফোরণের সেই ভয়াবহ ঘটনার কথা মনে হলে এখনও শিউড়ে উঠছেন। ঠিক মতো ঘুমাতে পারেন না। ওষুধের সহায়তায় ঘুমাতে হয় থাকে।
একই ঘটনায় আহত হন কনটেইনার ডিপোর রিসিভার আমিরুল ইসলাম। এখনো ঘুমের মধ্যেই আঁতকে উঠেন সেই স্মৃতি মনে করে। যেন স্বপ্নের মধ্যে ফিরে আসে আগুন।
জামিরুল আর আমিরুলের মতো আরও অর্ধশত রোগী এখনও চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি আছেন।
আরও পড়ুন: সীতাকুণ্ডে আগুনে আরও এক ফায়ার সার্ভিস কর্মীর মৃত্যু
এদের কারও অবস্থা আশংকাজনক না হলেও, দৃষ্টিশক্তি কমে যাওয়াসহ নানা জটিলতায় ভুগছেন অনেকে। আছেন মানসিক ট্রমায়।
চিকিৎসকরা বলছেন, আহতদের পুরোপুরি সুস্থ হতে আরও সময় লাগবে। আর তাদের অনেকের মধ্যে দুর্ঘটনার ট্রমা কাজ করছে। যা থেকে বের হতে বেশ কিছু দিন সময় লাগবে।
গত চার জুন সীতাকুণ্ডের বিএম কনটেইনার ডিপোতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ও বিস্ফোরণের ঘটনায় মারা যান ৪৭ জন। আহত হন দুশ’রো বেশি মানুষ।
একাত্তর/এসজে
