বাঁধ ভাঙার আতঙ্কে আছেন ধরলা পাড়ের মানুষ। কুড়িগ্রামের ১০ গ্রামের মানুষ বলছেন, বেড়িবাঁধের ৩০টি পয়েন্ট ভীষণ ক্ষতিগ্রস্ত। তাই, বন্যায় সর্বস্ব হারানোর শঙ্কা বাড়ছেই।
২০১৭ সালে ধরলার পানিতে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ ভেঙে ভেসে যায় সদর উপজেলার সন্ন্যাসী গ্রামের বাহাদুর মিয়ার ঘরবাড়ি। এরপর অনেক কষ্টে নতুন ঘরবাড়ি নির্মাণ করেন তিনি।
এরপর বাঁধের ৫২ কিলোমিটার অংশ মেরামত করে দেয় পানি উন্নয়ন বোর্ড। কিন্তু আবারো বাঁধের বিভিন্ন অংশ ধসে যাওয়ায় আতঙ্কে আছেন এই কৃষক।
বাহাদুরের মত আতঙ্কে আছেন বাঁধের আশপাশের ১০ গ্রামের মানুষ। তারা বলছেন, সদরের মদাজাল ফাড়া গ্রাম থেকে রাজারহাটের জয়কুমর গ্রাম পর্যন্ত অন্তত ৩০ পয়েন্ট ধসে গেছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ড একে ‘রেইন কাট’ বললেও বাঁধে বড় বড় গর্তের কারণে যানবাহন চলাচল প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে। কৃষি পণ্য আনা নেয়ার ক্ষেত্রে দেখা দিয়েছে অচলাবস্থা।
গ্রামবাসীর অভিযোগ, অনেক দিন ধরে বাঁধের এই দুরবস্থা হলেও ঠিকাদার বা পানি উন্নয়ন বোর্ড কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না। আবার মেরামত হলেও সেটা দায়সারা ভাবে করা হয়।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রকৌশলীরা বলছেন, বাঁধ মেরামতের জন্য ঠিকাদার নিয়োগ করা হয়েছে, কিছু কিছু জায়গায় কাজও শুরু হয়েছে। তাদের আশা শিগগিরই শেষ হবে সংস্কার কাজ।
বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের কমপক্ষে পাঁচ কিলোমিটার এলাকা এখন ঝুঁকিপূর্ণ। আর, তাই দশ গ্রামের কমপক্ষে সাত হাজার মানুষ আছেন ঝুঁকিতে।
