কোন ধরনের সহিংসতা ছাড়া শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হয়েছে কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন (কুসিক) নির্বাচন। বুধবার সকাল ৮টায় শুরু হয়ে ভোটগ্রহণ চলে বিকেল ৪টা পর্যন্ত।
নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা হবে জেলা শিল্পকলা একাডেমী থেকে।
বুধবার (১৫ জুন) নির্ধারিত সময়ের বেশ আগে থেকে কেন্দ্রে কেন্দ্রে ভোটারদের দীর্ঘ সারি দেখা যায়। তবে, ভোটগ্রহণ শুরুর প্রথম ঘণ্টায় বৃষ্টির বাগড়ায় ভোগান্তিতে পড়েন ভোটাররা। এরপর মোটামুটি পুরোদিনই আকাশ মেঘলা ছিলো।
এবার তৃতীয়বারের মতো কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলো। এর আগে ২০১২ সালের ৫ জানুয়ারি কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের প্রথম নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। সিটির দ্বিতীয় নির্বাচন হয় ২০১৭ সালের ৩০ মার্চ।
নির্বাচনে এবার মেয়র পদে লড়ছেন পাঁচজন। মোট ভোটার ২ লাখ ২৯ হাজার ৯২০ জন (পুরুষ ১,১২,৮২৬; নারী ১,১৭,০৯২ এবং হিজড়া ২)।
এক নজরে কুমিল্লা সিটি নির্বাচন
ভোটার: ২ লাখ ২৯ হাজার ৯২০ জন (পুরুষ ১,১২,৮২৬; নারী ১,১৭,০৯২ এবং হিজড়া ২)।
ওয়ার্ড: ২৭টি সাধারণ, ৯টি সংরক্ষিত।
ভোটকেন্দ্রে: ১০৫টি কেন্দ্রের ৬৪০টি ভোট কক্ষে ভোটগ্রহণ হয়েছে ।
আরও পড়ুন: ১০৪ ঘণ্টা পর কুয়োতে পড়ে যাওয়া শিশু উদ্ধার
প্রার্থী: মেয়র পদে ৫ জন, সাধারণ কাউন্সিলর পদে ১০৬ জন এবং সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদে ৩৬ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
ইতিহাস
দুটি পৌরসভা নিয়ে ২০১১ সালের জুলাই মাসে কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন গঠিত হওয়ার পর দুটি নির্বাচন হয়েছে। দশ বছর আগে প্রথম নির্বাচনে নির্দলীয় প্রতীকে ভোট হলেও ২০১৭ সালে দলীয় প্রতীকে মেয়র নির্বাচন হয়। দুই নির্বাচনেই ক্ষমতাসীন দলের প্রার্থীকে পরাজিত করে বিএনপির প্রার্থী জয়ী হন।
২০১৭ সালের ৩০ মার্চ কুমিল্লা সিটিতে সর্বশেষ ভোট হয়েছিল। নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি দায়িত্ব নেওয়ার পর ১৭ মে প্রথম সভা হয়। তাদের পাঁচ বছর মেয়াদ পূর্ণ হয় এ বছরের ১৬ মে।
একাত্তর/আরএ
