চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে ট্রেন-মাইক্রোবাস সংঘর্ষে আহতদের একজনের শারীরিক অবস্থা অবনতি হওয়ায় ভর্তি করা হয়েছে আইসিইউতে। এছাড়া নিউরোসার্জারি বিভাগে ভর্তি পাঁচজনের মধ্যে দুইজনের এখনো পুরোপুরি জ্ঞান ফেরেনি। সুস্থ হয়ে ওঠার পরও আহতদের উন্নত চিকিৎসা প্রয়োজন হবে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।
এদিকে আহতদের স্বজনরা জানান, প্রশাসনের কাছ থেকে কোনো আর্থিক সহযোগিতা তারা এখনো পাননি।
ক্লান্ত থাকায় খৈয়াছড়া ঝর্ণা দেখে ফেরার পথে গাড়িতেই ঘুমিয়ে পড়েছিল এইচএসসি শিক্ষার্থী তানভীর হাসান হৃদয়। হঠাৎ তীব্র শব্দে তার ঘুম ভাঙ্গে। পরে স্থানীয়রা তাকে রেলের চাকার নীচ থেকে টেনে বের করে।
চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের নিউরোসার্জারি ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন হৃদয় এখন অনেকটাই সুস্থ।
তবে তার পাশের বেডে থাকা আহত চারজনের মধ্যে দুইজনের এখনো পুরোপুরি জ্ঞান ফেরেনি। আর আইসিইউতে ভর্তি পাবেলের অবস্থা আশংকাজনক বলে জানিয়েছেন চমেক হাসপাতালের নিউরোসার্জারি বিভাগের প্রধান প্রফেসর ডা. এস এম নোমান খালেদ চৌধুরী।
আরও পড়ুন: শৈলকুপায় নির্বাচনের আগের রাতে যুবককে কুপিয়ে হত্যা
আর আহতদের ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কায় আছেন অভিভাবকরাও। তারা জানান, হাসপাতাল থেকে কিছু জরুরী ঔষধ সরবরাহ করা হলেও এখন পর্যন্ত প্রশাসন বা সরকারের কাছ থেকে কোন সহযোগিতা তারা পাননি।
গত শুক্রবার মিরসরাই খৈয়াছড়া ঝর্ণা থেকে ফেরার পথে ট্রেনের ধাক্কায় আহত হন ১১ মাইক্রোবাস যাত্রী। এ দুর্ঘটনায় আহত সাতজন এখন চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
একাত্তর/এসজে
