দিনাজপুর শহরের ঘাসিপাড়ায় শ্বাসরোধে স্ত্রীকে হত্যার পর ওয়ার্ডরোবে রেখে ১৪ ঘণ্টা পর থানায় গিয়ে স্বামীর আত্মসমর্পণের ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
শনিবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১টার সময় নিহত সুমাইয়া আক্তার হাসির ছোট ভাই ইসাহাক আলী বাদী হয়ে এই মামলা দায়ের করেন। এর আগে শুক্রবার ভোরে হত্যা করে দিন শেষে রাত ১০টার দিকে কোতোয়ালি থানায় গিয়ে স্বামী মনোয়ার হোসেন স্ত্রী হাসিকে খুনের কথা পুলিশকে জানান।
ওসি তানভিরুল ইসলাম জানান, মনোয়ারের সঙ্গে দিনাজপুরের বীরগঞ্জ উজেলার সুজালপুরের কলেজপাড়ার আব্দুল খালেকের মেয়ে সুমাইয়া আক্তার হাসির এক মাস আগে বিয়ে হয়। মনোয়ারের বাড়ি দিনাজপুর শহরের ছোট গুড়গোলায়। তিনি ঘাসিপাড়ায় ওই বাড়ির চতুর্থ তলায় এক বছর ধরে ভাড়া থাকেন। সুমাইয়া মনোয়ার হোসেনের দ্বিতীয় স্ত্রী।
স্বামী মনোয়ারের দেওয়া প্রাথমিক তথ্যের বরাত দিয়ে ওসি জানান, শুক্রবার ভোর ৩টা থেকে ৪টার মধ্যে তাকে গলা টিপে হত্যার পর মরদেহ ওয়ার্ডরোবে লুকিয়ে রাখেন স্বামী। প্রায় ১৪ ঘণ্টা স্ত্রীকে লুকিয়ে রাখার পর তিনি নিজে থানায় হাজির হয়ে হত্যার কথা স্বীকার করেন। তার দেওয়া তথ্যসহ তাকে সঙ্গে নিয়ে স্ত্রীর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে এখনো হত্যার কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
ওসি জানান, মরদেহ রাত পৌনে ১১টায় উদ্ধার করে দিনাজপুরের এম আব্দুর রহিম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। শনিবার দুপুর ১টার সময় নিহত সুমাইয়া আক্তার হাসির ছোট ভাই ইসাহাক আলী বাদী হয়ে এই মামলা দায়ের করেন। মামলা নম্বর-৫০। আসামিকে আদালতে চালান দেওয়া হয়েছে।
একাত্তর/এআর
