রোজার আগেই রংপুরে কেজি প্রতি চার থেকে পাঁচ টাকা বেড়েছে সব ধরণের চালের দাম। মোটা চালের দামও বেড়ে যাওয়ায় নাভিশ্বাস উঠেছে স্বল্প আয়ের মানুষের। ভরা আমনের মৌসুমেও সরবরাহ কমের অজুহাত দেখাচ্ছেন ব্যবসায়ীরা।
পরিবারের চার সদস্যের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি দিনমজুর ফজলুর রহমান। গড়ে প্রতিদিন দুই কেজি চাল প্রয়োজন তার পরিবারের। সেই চাল যোগাড় করতে কাজের আশায় নগরীতে এসেছিলেন, কিন্তু মধ্যদুপুরেও মেলেনি কাজ।
রমজানের আগেই রংপুরে চালের দাম বেড়ে গেছে কেজি প্রতি চার থেকে পাঁচ টাকা। আমনের ভরা মৌসুমে সরবরাহ কমার অজুহাতে চালের দাম বেড়ে যাওয়ায় ফজলুর রহমানের মতো বেকায়দায় পড়েছেন নিম্নআয়ের মানুষ।
রংপুরে মোটা চাল বিক্রি হচ্ছে ৫৫ টাকা থেকে ৬০ টাকা কেজিতে। পাইজাম মিলছে ৭০ থেকে ৭৫ টাকায়। আর নাজিরশাইল ৮০ থেকে ৮৫ টাকা। বাজার ভরা নতুন আমন চালে, তারপরও সরবরাহ কমার দোহাই দিচ্ছেন দোকানিরা।
আরও পড়ুন: এখনই চড়া ইফতার পণ্য লেবু শশা ও বেগুনের দাম
অথচ এক সপ্তাহ আগেই এসব চালের দাম ছিলো গড়ে পাঁচ টাকা কম। স্বর্ণা চাল গেলো সপ্তাহে বিক্রি হয়েছে ৫০-৫২ টাকা, পাইজাম ৫৪-৫৫ টাকা, বিআর২৮ ৬০-৬৫ টাকা, মিনিকেট ৭৫ টাকা ও নাজিরশাইল ৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে।
ব্যবসায়ীরা বলছেন, মিল মালিকরা চাল পলিশ করে ঝকঝকে চিকন এবং মিনিকেট করতে গিয়ে খরচ বাড়িয়ে ফেলে। কিন্তু মোটা চালের দাম কেন বাড়ে সেই উত্তর দিতে পারে না কেউ।
একাত্তর/এসি
