ঝালকাঠির সুগন্ধা নদীতে ডুবে যাওয়া তেলবাহী জাহাজের পানিতে মেশা তেল অপসারণে জেলা প্রশাসনের আট সদস্যের আরেকটি কমিটি বৃহস্পতিবার কাজ শুরু করেছে। এদিকে দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে জেলা প্রশাসনের তিন সদস্যের কমিটি প্রতিবেদন জমা দেয়ার জন্য প্রস্তুত হয়েছে বলে জানিয়েছে। প্রতিবেদনটি ৪ জুলাই জমা দেয়ার কথা ছিলো।
ঝালকাঠির সুগন্ধা নদীতে তেলবাহী জাহাজ সাগর নন্দিনী-২ এ দ্বিতীয় দফা বিস্ফোরণের পর ক্ষতিগ্রস্ত জাহাজ উদ্ধার ও পানিতে মেশা তেল অপসরণের কাজ শুরু হয়েছে। তেল মিশ্রিত পানি পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে ঢাকায়।
এদিকে জাহাজটি যাতে ডুবে না যায় এজন্য ড্রেজার দিয়ে পেছনের অংশে সেচ দেয়া হচ্ছে। আর তেল অপসারণে কাজ করা জাহাজ নন্দিনী-৪ যেন দুর্ঘটনায় না পড়ে সেজন্যও প্রস্তুত রয়েছে বিস্ফোরক দল।
পানি অপসরণে কাজ করা শ্রমিকরা জানান, তারা পানি সেঁচে তেল উদ্ধারের চেষ্টা করছেন।
ফায়ার সার্ভিস বলছে, ট্যাংকারটিতে থাকা অবশিষ্ট তেল অপসারণে ঝুঁকি রয়েছে।
ঝালকাঠি ফায়ার সার্ভিসও সিভিল ডিফেন্সের উপ-সহকারী পরিচালক ফিরোজ কুতুবী বলেন, আমরা সতর্ক অবস্থায় আছি।
এদিকে ডুবে যাওয়া জাহাজে কি পরিমাণ তেল আছে তা পরীক্ষা করে জানা যাবে বলছেন পদ্মা অয়েল কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক।
পদ্মা অয়েল কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসুদুর রহমান বলেন, কি পরিমাণ তেল আছে তা আমরা বোঝার চেষ্টা করছি।
দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত জাহাজের ফিটনেসসহ অন্যান্য কাগজপত্র ঠিকঠাক আছে জানিয়ে তদন্ত কমিটির প্রধান অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক রুহুল আমিন বলছেন, জাহাজের ইঞ্জিন রুমে জমে থাকা গ্যাস থেকেই বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে।
আরও পড়ুন: জাফলংয়ে বাবার সঙ্গে গোসলে নেমে স্কুলছাত্র নিখোঁজ
জাহাজটিতে এখনও তিন লাখ ৮৬ হাজার ২৪৯ লিটার পেট্রোল ও ২৮ হাজার ৪৫৬ লিটার ডিজেল রয়েছে বলে দাবি করছে ডিপো কর্তৃপক্ষ।
একাত্তর/আরএ
