ঢাকাতে করোনার অতি সংক্রমক ডেল্টা ধরনের বিস্তার ঠেকাতে আশপাশের সাত জেলায় লকডাউন চললেও মানুষের চলাচল থেমে নেই।
ভেঙ্গে ভেঙ্গে নৌ ও সড়ক পথে জেলাগুলোর বাসিন্দারা ঢাকায় যাচ্ছেন, আবার ঢাকা থেকে সেসব জেলায় ঢুকছেন। ছোট ছোট যানে গাদাগাদি করে চলাচল করছেন।
এরমধ্যে সোমবার থেকে সারাদেশে ‘কঠোর লকডাউনের’ নামে শাটডাউনের ঘোষণা আসায় দুই ফেরিঘাটেই ভিড় বাড়ছে। অর্থাৎ, দলে দলে মানুষের ঢাকা ছাড়ার প্রভাব পড়েছে ঘাটে।
লকডাউনের মধ্যেও গেল কয়েকদিন ধরেই শিমুলিয়া-বাংলাবাজার নৌপথে ছিলো দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের উপচে পড়া ভিড়।

দেশজুড়ে কঠোর লকডাউনের খবরে শনিবার সকালে সেই ভিড় আরো বেড়ে যায়। গাদাগাদি করে ফেরিতে চেপে গন্তব্যে ছোটেন যাত্রীরা।
এদিকে মাদারীপুরে সড়কপথে নানভাবে মানুষের চলাফেরা ঠেকানোর চেষ্টা করা হলেও মানছে না কেউ। প্রয়োজনে, অপ্রয়োজনে ঘর থেকে বের হচ্ছে মানুষ।
তবে মুন্সীগঞ্জে পঞ্চম দিনে বেশ কঠোর ভাবে চলছে লকডাউন। ঢাকার সাথে জেলাকে বিছিন্ন করতে ২০টি পয়েন্টে চেকপোষ্ট বসানো হয়েছে। এছাড়া অভ্যন্তরিন রুটেও চলাচল নিয়ন্ত্রন করতে মাঠে রয়েছে পুলিশ।
মানিকগঞ্জে কড়া নজরদারিতেও থামছেনা মানুষের যাতায়াত। পায়ে হেঁটে ও তিন চাকার যানবাহনে চড়ে বিভিন্ন উপায়ে গন্তব্যে যাচ্ছেন তারা।
ফেরিঘাটেও বাড়ছে ভিড়। পণ্যবাহী ট্রাক ও জরুরি পরিবহনের সাথে সুযোগ বুঝে ফেরিতে উঠে পড়ছেন অনেকে। কোন ভাবেই সেই স্রোত সামাল দেয়া যাচ্ছে না।
লকডাউন কার্যকর করতে কঠোর অবস্থায় আছে নারায়ণগঞ্জ পুলিশ প্রশাসন। শপিংমল, মার্কেট, দোকানপাট বন্ধ, সড়কে ৩০টি চেকপোস্ট বসিয়ে চলছে নজরদারী। তবে এর মধ্যেও নজর এড়িয়ে ঘরের বাইরে আসছেন মানুষ ।

এদিকে, পঞ্চম দিনেও ঢাকা টাঙ্গাইল মহাসড়কের চন্দ্রা দিয়ে গণপরিবহন চলতে দেখা গেছে। চলেছে দুরপাল্লার যানবাহনও।
চলাচলকারী বেশিরভাগই মানছেন না স্বাস্থ্যবিধি । অথচ জেলায় আক্রান্তের সংখ্যা ১২ হাজার ছাড়িয়েছে। সেই সঙ্গে প্রতিদিনই বাড়ছে নতুন রোগীর সংখ্যাও।
একাত্তর/ এনএ
