বন্দরনগরী চট্টগ্রামেও হাসপাতালগুলোর করোনা ইউনিটে বাড়ছে রোগীদের চাপ। এরিমধ্যে সংকট দেখা দিয়েছে আইসিইউ শয্যার।
এক মাস আগেও সংক্রমণের হার ১০- ১২ শতাংশ থাকলেও, এখন তা ২৪-২৯ এ উঠানামা করছে। দৈনিক শনাক্তের এই হার অব্যাহত থাকলে হাসপাতালগুলোতে কোন আইসিইউ শয্যাই খালি থাকবে না বলে সতর্ক করেছেন স্বাস্থ্য বিভাগের অধিকর্তারা।
মাত্র কয়েকদিন আগে জেনারেল হাসপাতালে আইসিইউ'তে মারা গেছেন বন্দরনগরীর বাসিন্দা ফাহমিদা সুলতানার শ্বাশুড়ি। এখন ১৫ মাস বয়সী নিজের সন্তানকে ভাইয়ের কাছে রেখে ফাহমিদাকে থাকতে হচ্ছে করোনাক্রান্ত স্বামীর পাশে একই আইসিইউতেই।
চট্টগ্রামের হাসপাতালগুলোতে এখন ফাহমিদার মত পরিবারগুলোর ভিড় বাড়ছে। করোনার সংক্রমণের সাথে হাসপাতাগুলোতে বাড়ছে আইসিইউ পেতে রোগীদের চাপ।
আর এ সুযোগে বেসরকারি হাসপাতালগুলো অতিরিক্ত ফি আদায় করছে বলে অভিযোগ করেছেন রোগীদের স্বজনরা। তারা জানান, রোগী প্রতি লাখ লাখ টাকা বিল আসছে।
চট্টগ্রামে সরকারি হাসপাতালগুলোতে কোভিড রোগীর জন্য আইসিইউ আছে ২৮টি। তারমধ্যে শনিবার খালি ছিল আটটি।
আরও পড়ুন: করোনা ভাইরাস: ১৪ হাজার ছাড়ালো মৃত্যু, বেড়েছে সংক্রমণ
আর বেসরকারি হাসপাতালগুলোতে কোভিড-নন কোভিড মিলিয়ে আইসিইউ আছে ১০৫টি। যার অর্ধেক কোভিড রোগীদের জন্য বরাদ্দ থাকার কথা থাকলেও, বর্তমানে তারচেয়েও বেশি করোনা রোগী ভর্তি আছে।
চট্টগ্রামের বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. হাসান শাহরিয়ার কবির জানান, করোনা মোকাবেলায় হাসপাতালগুলোর এখনো সক্ষমতা থাকলেও, মানুষ স্বাস্থ্যবিধি না মানলে পরিস্থিতি আরো ভয়াবহ হবে। চট্টগ্রামে এ পর্যন্ত করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৫৭ হাজার ৩৭০ জন।
