কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনে নেই আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা। নগরীর সড়কের পাশে যত্রতত্র ময়লা-আবর্জনা, অসংখ্য খোলা ডাস্টবিন। ময়লা ফেলা হচ্ছে দিনভর। বেশিরভাগই গৃহস্থালির আবর্জনা। খোলা জায়গায় ডাম্পিং স্টেশন হওয়ায় বিপর্যস্ত পরিবেশ। এদিকে সিটি নির্বাচনে ভোট পেতে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার আধুনিকায়নের প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন প্রার্থীরা।
অনেক জেলার চেয়ে শিক্ষা-সংস্কৃতিতে এগিয়ে কুমিল্লা। সেই কুমিল্লা মহানগরের যত্রতত্র ময়লা-আবর্জনা পড়ে থাকে। অসংখ্য খোলা ডাস্টবিন উপচে ময়লা ছড়িয়ে পড়ে সড়কে। দুর্গন্ধ থেকে রেহাই পেতে নাক-মুখ চেপে চলাচল করেন নগরবাসী।
সিটি কর্পোরেশনের ২৭টি ওয়ার্ডের ২৭৫টি স্পট থেকে প্রতিদিন প্রায় দেড়শ' টন আবর্জনা সংগ্রহ করে ঝাকুনিপাড়ার ভাগাড়ে নিয়ে ফেলেন পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা। খোলা জায়গায় ডাম্পিং স্টেশন হওয়ায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে পরিবেশ। তাই সিটি কর্পোরেশনের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ঢেলে সাজানোর দাবি জানান এলাকাবাসী।
বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় পরিবর্তন না এলে কুমিল্লা শহর অচিরেই রোগ-বালাইয়ের ডিপোতে পরিণত হবে আশঙ্কা পরিবেশকর্মীদের।
কুমিল্লায় এখন চলছে সিটি কর্পোরেশনের মেয়র পদে উপনির্বাচনের প্রচার। যথারীতি নির্বাচিত হলে আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা চালুর প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন প্রার্থীরা।
মেয়র প্রার্থী নূর উর রহমান মাহমুদ তানিম, গত ১৫ বছর যারা দায়িত্ব পালন করেছেন, আমার মনে হয় তারা এ বিষয়ে চিন্তা করেননি।
আরেক প্রার্থী মনিরুল হক সাক্কু বলেন, এই বর্জ্যকে সম্পদে পরিণত করে দেশের জন্য কাজে লাগাবো।
অন্যদিকে বর্জ্য ব্যবহার করে বিদ্যুৎ উৎপাদন করার পরিকল্পনা কথা বলছেন মেয়র প্রার্থী ডা. তাহসীন বাহার সূচনা।
এসব প্রতিশ্রুতি নির্বাচনের পর কতটা পালন হবে তা দেখার আশায় আছেন কুমিল্লা সিটির ভোটাররা।
ময়মনসিংহ ও কুমিল্লা সিটির ভোট ৯ মার্চ