বন্দরনগরী চট্টগ্রামে ইসলামী ব্যাংকের একটি শাখার লকার থেকে ১৪৯ ভরি স্বর্ণালঙ্কার গায়েব হওয়া নিয়ে রহস্য বাড়ছে। চারদিন আগে এ ঘটনা ঘটলেও এখনো কোনো পক্ষ মামলা করেনি।
ইসলামী ব্যাংকের চকবাজার শাখার লকার থেকে স্বর্ণালঙ্কার গায়েবের ঘটনা ঘটে গত বুধবার। কিন্তু তা প্রকাশ্যে আসে রোববার।
লকারে গয়না রেখেছিলেন নগরের বেভারলি হিলের বাসিন্দা রোকেয়া বারী। গত বুধবার লকার খুলে সেখানে কোনো স্বর্ণালঙ্কার পাননি বলে অভিযোগ তারা।
রোকেয়া বারী বলেন, গত ১৭ বছর ধরে তিনি ব্যাংকটির শাখায় লকার ব্যবহার করেন। বুধবার দুপুরে কিছু স্বর্ণালঙ্কার আনার জন্য সেখানে যান। কিন্তু দায়িত্বে থাকা অফিসার তাকে নিয়ে লকারের কাছে গিয়ে তা খোলা দেখতে পান।
রোকেয়া বারী দাবি করেন, চুড়ি, জড়োয়া সেট, হার, চেইন, আংটি, দুলসহ ১৪৯ ভরি স্বর্ণালঙ্কার ছিল। লকার খোলার পর দেখা যায়, সেখানে রয়েছে মাত্র ১০ থেকে ১১ ভরি।
খোয়া যাওয়া স্বর্ণের মূল্য প্রায় দেড় কোটি টাকা এবং এ ঘটনায় ব্যাংকটির কর্মকর্তারা জড়িত থাকতে পারে বলে সন্দেহ তার। এঘটনায় মামলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন তিনি।
ব্যাংকটির চকবাজার শাখার ম্যানেজার এস এম শফিকুল মওলা চৌধুরী বলেন, ভুক্তভোগী গ্রাহকের অভিযোগ তদন্ত করা হচ্ছে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকেও জানানো হয়েছে। সোমবার তদন্তের অগ্রগতি ভুক্তভোগী গ্রাহককে জানানো হবে।
রোকেয়া বারীর ছেলে ডাক্তার রিয়াদ মোহাম্মদ মারজুক সাংবাদিকদের বলেন, বিষয়টি সঙ্গে সঙ্গে পুলিশকে জানানো হয় এবং চকবাজার থানার ওসি লকার রুম দেখে গেছেন। আইনজীবীর সঙ্গে পরামর্শ করে সোমবার মামলা করা হবে।
এ বিষয়ে চকবাজার থানার ওসি আলী আকবর সাংবাদিকদের বলেন, খবর পেয়ে আমি নিজেই ব্যাংকে গিয়েছিলাম। লকার খোলা দেখতে পাই। ভুক্তভোগীরা এখনো কোনো মামলা করেননি। ব্যাংক থেকেও এ বিষয়ে কিছু বলা হয়নি।
বাজেটের মূল চ্যালেঞ্জ মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ