কক্সবাজারের সেন্টমার্টিন দ্বীপ থেকে যাত্রী নিয়ে টেকনাফে ফেরার পথে বাংলাদেশের জলসীমায় দুটি ট্রলারকে লক্ষ্য করে মিয়ানমারের দিক থেকে গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। এসময় একটি ট্রলারে গুলি লাগলেও কেউ হতাহত হননি।
বুধবার দুপুর দুইটার দিকে শাহপরীর দ্বীপ জেটি সংলগ্ন নাফনদে এ ঘটনা ঘটে।
সেন্টমার্টিন বোট মালিক সমিতির সভাপতি রশিদ আহমদ জানান, ট্রলার দুটি বঙ্গোপসাগরের বিকল্প রুটে বাংলাদেশের জলসীমা হয়ে সেন্টমার্টিন থেকে আসছিল। শাহপরীর দ্বীপ জেটিতে পৌঁছানোর আগে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের পাতেঞ্জা এলাকা থেকে দুটি ট্রলারকে লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়। শতাধিক গুলি থেকে কয়েকটি গুলি লাগে যাত্রীবাহী একটি বোটে। কিন্তু কেউ আহত হননি।
টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আদনান চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশের জলসীমায় সেন্টমার্টিন থেকে আসা যাত্রীবাহী দুটি ট্রলারকে লক্ষ্য করে মিয়ানমার দিক থেকে গুলি করা হয়েছে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে।
সেন্টমার্টিনের বাসিন্দা ও ট্রলারের যাত্রী মো. ফারুক বলেন, আমরা সেন্টমার্টিন থেকে দুটি ট্রলারে করে টেকনাফের উদ্দেশে আসছিলাম। ট্রলার দুটি মিয়ানমারের নাইক্ষ্যংদিয়া সীমা এড়িয়ে বঙ্গোপসাগরে নতুন করে বসানো বয়া রুটে আসছিল। শাহপরীর দ্বীপ ঘোলার চর পার হতেই হঠাৎ মিয়ানমারের দিক থেকে ট্রলার দুটি লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হয়। আমাদের ট্রলারটি পেছনে ছিলো। প্রায় ৩০ থেকে ৪০ রাউন্ড গুলি ছুড়েছে। তার মধ্যে একটি গুলি আমাদের ট্রলারে এসে পড়ে। তবে গুলি ট্রলারের বাইরের অংশে লাগায় কেউ আহত হননি।
মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে জান্তা সমর্থিত বাহিনী ও সশস্ত্র আরাকান আর্মির সংঘাতের পর সপ্তাহ খানেক আগে বিদ্রোহীরা রাখাইনের পাতেঞ্জা নামক এলাকাটির নিয়ন্ত্রণ নেয়। ওই পাতেঞ্জা এলাকা থেকে এবার সেন্টমার্টিনের যাত্রীবাহী ট্রলাওে গুলি চালানো হয়েছে। তাই স্থানীয়দের ধারণা পাতেঞ্জার নিয়ন্ত্রণ নেয়া আরাকান আর্মি এ ঘটনা ঘটাতে পারে।
তিস্তায় ভেসে এলো সিকিমের সাবেক শিক্ষামন্ত্রীর মরদেহ