এক দফার আন্দোলন ঘিরে সহিংসতায় সারাদেশে ৩৩ জন নিহত হওয়া খবর পাওয়া গেছে। আহতের সংখ্যা আরও অনেক।
এরমধ্যে নরসিংদীতে ছয়জন, ফেনীতে পাঁচজন, মাগুরায় চারজন, পাবনায় তিনজন, মুন্সীগঞ্জে তিনজন, রংপুরে দুইজন, কুমিল্লায় দুইজন ও বগুড়ায় দুইজন, বরিশালে একজন ও রাজধানী ঢাকায় একজন মারা গেছে।
সহিংসতায় আহত হয়েছেন শতাধিক। এর মধ্যে একাত্তর টিভির তিন সাংবাদিকসহ আরও কয়েকজন সাংবাদিক রয়েছেন।
রোববার সকালে রংপুর টাউন হলে অবস্থান নেন আন্দোলনকারীরা। আর আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা অবস্থান নেন পায়রা চত্বর ও জাহাজ কোম্পানির মোড়ে। এক পর্যায়ে দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া শুরু হয় । এতে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা খসরু মিয়াসহ দুইজন মারা যান ।

মাগুরাতেও আন্দোলনকারীদের সাথে পুলিশ ও আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার সময় গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান ছাত্রদল নেতা মেহেদী হাসান রাব্বি, দুই শিক্ষার্থী ফরহাদ হোসেন ও সুমন শেখ।
মুন্সীগঞ্জ সুপার মার্কেট ও কৃষি ব্যাংক মোড় এলাকায় জড়ো হন আন্দোলনকারীরা। অন্যদিকে আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের কর্মীরা সড়কে অবস্থান নেন। একপর্যায়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়ে দুই নির্মাণ শ্রমিকের মৃত্যু হয়।
মানিকগঞ্জ ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক অবরোধের খবর সংগ্রহে গিয়ে আহত হয়েছেন ইন্ডিপেন্ডেন্ট টেলিভিশনের মানিকগঞ্জের রিপোর্টার মনজুর রহমান এবং এটিএন বাংলার শহিদুল ইসলাম সুজনসহ বেশ কয়েকজন ।

সিলেট ও পটুয়াখালীতে পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে হামলার শিকার হয়েছেন, একাত্তর টিভির দুই সাংবাদিক হোসাইন আহমেদ সুজাত ও আহসানুল কবির রিপন।
বেলা এগারোটা থেকে খুলনার শহরজুড়ে তাণ্ডব শুরু করে আন্দোলনকারীরা। এসময় তারা হাদিস পার্কের সামনে আওয়ামী লীগ অফিসে ও শেরে বাংলা রোডে স্থানীয় সংসদ সদস্য শেখ সালাউদ্দিন জুয়েলের বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেয়।
ফরিদপুর জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয় পুড়িয়ে দিয়েছে আন্দোলনকারীরা। এরপর তারা কয়েকটি মোটরসাইকেলে আগুন দেয়।

ঝালকাঠিতে শহরের ফায়ার সার্ভিস সড়কে আন্দালনকারীদের সাথে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীদের সংঘর্ষে ১৫ জন আহত হয়েছে।
জামালপুরেও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুর চালায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনকারীরা। এ সময় দুটি মোটর সাইকেল পুড়িয়ে দেয়া হয়।
কুড়িগ্রামে আন্দোলনকারী,পুলিশ ও ছাত্রলীগ-যুবলীগের ত্রিমুখী সংঘর্ষে জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি মো. জাফর আলী ও সাধারণ সম্পাদক আমান উদ্দিন আহমেদ মঞ্জু ও সদর উপজেলা চেয়ারম্যান মঞ্জুরুল ইসলাম রতনসহ উভয়পক্ষের ৩০জন আহত হয়েছেন।
অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠনের রূপরেখা দিলেন আনু মুহাম্মদ
জঙ্গি হামলা হচ্ছে, সবাইকে ঘরে ফেরার আহ্বান সরকারের