ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে শেরপুরের ঐতিহ্যবাহী ‘ছানার পায়েস’।
বৃহস্পতিবার দুপুরে শিল্প মন্ত্রণালয়ের পেটেন্ট, শিল্প নকশা ও ট্রেড মার্কস অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. মুনিম হাসানের সই করা এক প্রজ্ঞাপনে দেশের ৪৪তম জিআই পণ্য হিসেবে ছানার পায়েসকে স্বীকৃতি দেয়া হয়।
এই তথ্য নিশ্চিত করে জেলা প্রশাসক তরফদার মাহমুদুর রহমান বলেন, ছানার পায়েস ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়ায় শেরপুরের অর্থনীতিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। দেশের সব জেলাসহ সরকারের অনুমতি সাপেক্ষে এই ছানার পায়েস বিদেশে রপ্তানির মাধ্যমে অর্জিত হবে বৈদেশিক মুদ্রা।
শেরপুর শহরের অনুরাধা মিষ্টান্ন ভাণ্ডার এর স্বত্বাধিকারী বাপ্পি দে বলেন, জিআই পণ্য হিসেবে ছানার পায়েসের স্বীকৃতি শেরপুর জেলাকে বিশ্বের দরবারে অন্যভাবে চেনাবে। পাশাপাশি এই ছানার পায়েস দেশ ছাড়াও বিদেশে রপ্তানি হবে। এতে দেশের অর্থনীতিতে অনন্য ভূমিকা রাখবে এই পণ্যটি। মূলত দুধ, চিনি, এলাচের মিশ্রণে তৈরি গুটি গুটি রসালো মিষ্টির নামটি ‘ছানার পায়েস’ বা 'রসমালাই'।
এর আগে চলতি বছরের ১৫ ফেব্রুয়ারি ছানার পায়েসকে ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য হিসেবে স্বীকৃতির আবেদন করে শেরপুর জেলা প্রশাসন। এরপর নানা তথ্য সংগ্রহ এবং এই খাবারের বিশেষত্ব যাচাই করে শিল্প মন্ত্রণালয়।
এদিকে ছানার পায়েস জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়ায় উৎসবে মেতেছে শেরপুরের সাধারণ মানুষ। জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে অনেকেই মিষ্টি বিতরণ করেন।
এর আগে, শেরপুরের তুলশীমালা ধান জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি পায়।
কাজী নজরুল ইসলামকে জাতীয় কবির মর্যাদা দিয়ে গেজেট জারির উদ্যোগ