দেশকে যেন একটি গুছানো জায়গায় রেখে আমরা বিদায় নিতে পারি উল্লেখ করে অন্তর্বর্তী সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা মাহফুজ আলম বলেছেন, আপনার দোয়া করবেন অন্তর্বর্তী সরকার যে সকল সংস্কারের দায়িত্ব হাতে নিয়েছে তা যেন সব শেষ করতে পারে।
তিনি বলেন, ছারছীনা দরবার শরীফের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন স্থানে হাজার হাজার মাদ্রাসা তৈরি করা হয়েছে। যার মাধ্যমে ইসলমের শিক্ষা দেশের বিভিন্ন স্থানে ছাড়িয়ে পরছে। ইসলাম শান্তির ধর্ম তার শিক্ষা দিচ্ছে। আমার পরিবার এই ছারছীনা দরবার শরীফের মুরিদ ছিলো। আজ আমি এখানে এসেছি পীর সাহেবের কাছে আমার ও দেশের জন্য দোয়া চাইতে।
শুক্রবার দুপুরে জুমার নামাজের আগে পিরোজপুরের ছারছীনা দরবার শরীফের ১৩৫ তম মাহফিলের শেষদিনে উপস্থিত হয়ে আখেরি মোনাজাতের আগে তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে তিনি ছারছীনা দরবার শরীফের মরহুম পীরদের কবর জিয়ারত করেন।
মাহফুজ আলম বলেন, আমার দাদাজান ছারছীনা দরবারের মুরিদ ছিলেন। ছোটবেলায় বাবা ও দাদার সাথে একাধিকবার ছারছীনা দরবারে আসার সুযোগ হয়েছে। এখানে আসার মাধ্যমে ছারছীনা দরবার শরীফের প্রতিষ্ঠাতা আল্লামা শাহ্ সূফী নেছার উদ্দিন আহমদ (রহঃ) এর উপমহাদেশে দ্বিনি সংস্কার সম্পর্কে উপলব্ধি করতে পেরেছি। প্রায় দেড় শতাধিক বছর ধরে ছারছীনা সিলসিলার খেদমত এই উপমহাদেশে অব্যাহত রয়েছে। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রতিনিধি হিসেবে আপনাদের নিকট দোয়া চাই যেন আমরা বাংলাদেশকে শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রেখে একটি স্থিতিশীল পর্যায়ে নিয়ে এসে আমাদের অর্পিত দায়িত্ব শেষ করতে পারি। বিশেষ করে আমার জন্য দোয়া করবেন যেন আপনাদের পীর ভাইয়ের সন্তান হিসেবে এদেশের খেদমত করতে পারি।
এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন ছারছীনা শরীফের পীর ছাহেব আলহাজ্ব হযরত মাওলানা শাহ্ আবু নছর নেছারুদ্দীন আহমাদ হুসাইন, পিরোজপুরের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশরাফুল আলম খান, বরিশালের জেলা প্রশাসক মো. দেলোয়ার হোসেন, পিরোজপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মুকিত হাসান খান, আল্লামা সাঈদী ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান শামীম সাঈদী।
এদিন হযরত পীর ছাহেব কেবলা দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর সার্বিক কল্যাণ ও শান্তি কামনা করে তিনদিনব্যাপী মাহফিলের আখেরি মোনাজাত পরিচালনা করেন।
রোহিঙ্গাদের সহায়তা কমে যাওয়ায় জাতিসংঘ মহাসচিবের উদ্বেগ
লাখো রোহিঙ্গার সঙ্গে ইফতার করলেন প্রধান উপদেষ্টা ও জাতিসংঘ মহাসচিব