নরসিংদীর মাধবদীতে অপরাধবিষয়ক সাংবাদিকদের সংগঠন বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স এসোসিয়েশন (ক্র্যাব) -এর সদস্যদের ওপর হামলার ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন- মো. আলাল সরকার, মো. রনি মিয়া ও মোহাম্মদ রিফাত মিয়া।
অন্যান্য হামলাকারীদের গ্রেপ্তারে নরসিংদীর বিভিন্ন এলাকায় সাঁড়াশি অভিযান চালানো হচ্ছে বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। পুলিশ জানায়, ঘটনাস্থলের আশপাশে থাকা সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ বিশ্লেষণ করে হামলায় জড়িত সবাইকে শনাক্ত করা হয়েছে।
সোমবার সন্ধ্যায় সংগঠনের ‘ফ্যামিলি ডে’ অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকরা বাসযোগে ঢাকায় ফেরার পথে নরসিংদীর ড্রিম হলিডে পার্কের সামনে বাসগুলো সাময়িকভাবে পার্ক করা হয়। এ সময় স্থানীয় একদল সন্ত্রাসী বাস পার্কিংয়ের অজুহাতে সাংবাদিকদের কাছে চাঁদা দাবি করে। সাংবাদিকরা চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে সন্ত্রাসীরা তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। হামলার ঘটনায় অন্তত ১০ জন সাংবাদিক আহত হন। আহতদের মধ্যে চারজনের অবস্থা গুরুতর।
নরসিংদীর পুলিশ সুপার (এসপি) মো. আবদুল্লাহ্-আল-ফারুক বলেন, সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনাটি ন্যক্কারজনক। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সিসিটিভি ফুটেজের মাধ্যমে হামলাকারী সবাইকে শনাক্ত করা হয়েছে। তারা পালিয়ে থাকলেও গ্রেপ্তারের জন্য নরসিংদীজুড়ে অভিযান চলছে।
এ বিষয়ে ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি রেজাউল করিম মল্লিক বলেন, হামলাকারীরা যে দলের কিংবা যারাই হোক তাদেরকে দ্রুত আইনের আওতায় আনতে কাজ করছে পুলিশ।
ক্র্যাবের সভাপতি মির্জা মেহেদী তমাল বলেন, সাংবাদিকদের ওপর এই হামলা পরিকল্পিত। চাঁদা আদায়ের প্রতিবাদ করায় হামলার ঘটনা প্রমাণ করে সন্ত্রাসীরা কতটা বেপরোয়া হয়ে উঠেছে।
ক্রাইম রিপোর্টার্স এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক এম এম বাদশাহ্ দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনার দাবি জানান।
প্রধান উপদেষ্টার কাছে কর কাঠামো পুনর্বিন্যাস কমিটির প্রতিবেদন