রোপা-আমন মৌসুমকে সামনে রেখে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নন্দনপুরে বসেছে ঐতিহ্যবাহী ধানের চারার হাট। বিভিন্ন জাতের বীজতলা থেকে উৎপাদিত ধানের চারা নিয়ে হাটে আসছেন কৃষক ও ব্যাপারীরা। ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষক এখান থেকে কাঙ্ক্ষিত চারা সংগ্রহ করছেন। জেলার চাহিদা মিটিয়ে সারাদেশে বিক্রি হচ্ছে এসব চারা।
কৃষি বিভাগ জানিয়েছে, চলতি মৌসুমে জেলায় লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও বেশি জমিতে বীজতলা তৈরি হওয়ায় চারা নিয়ে হাহাকার নেই।
কৃষি বিভাগ সূত্র জানায়, চলতি মৌসুমে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৫০ হাজার চারশ’ হেক্টর জমিতে রোপা আমনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। রোপা-আমন মৌসুম সামনে রেখে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে বসা এটিই ধানের চারার সবচেয়ে বড়ো হাট।
এছাড়া কুট্টাপাড়া, আড়াইসিধা, লালপুর ও চাঁনপুরসহ জেলার বিভিন্ন স্থানে ছোট বড়ো আরও অনেক হাট বসেছে। হাট থেকে খাসা, নাজিরশাইল, বীনা-৭, বীনা-২২ ও গাইবান্ধার চারা সংগ্রহ করছে বিভিন্ন স্থানের কৃষকরা।
প্রতি আঁটি ধানের চারা ৮০ থেকে ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ব্রাক্ষণবাড়িয়াসহ আশপাশের জেলা থেকে খুচরা ও পাইকারি ক্রেতারা আসছেন চারা নিতে। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত চলে বেচাকেনা। প্রতিদিন কয়েক লাখ টাকার চারা বিক্রি হয় এ হাটে। তবে ঐতিহ্যবাহী এই হাটের জন্য স্থায়ী কোনো জায়গা না থাকায় দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে ক্রেতা-বিক্রেতাদের।
আরও পড়ুন: হেফাজত নেতা মুফতি রিজওয়ান রফিকী গ্রেপ্তার
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক রবিউল হক মজুমদার বলেন, বন্যাত্তোর চারার সঙ্কট মোকাবেলায় পূর্ব প্রস্তুতি হিসাবে নাভিজাত বীজতলা তৈরির পাশাপাশি মান সম্পন্ন চারা উৎপাদনে সহযোগিতা করা হবে।
উল্লেখ্য, জেলায় ছোট-বড়ো মিলে ১৮টি চারার হাট রয়েছে।
একাত্তর/টিএ
